Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Jasprit Bumrah

মগজাস্ত্রই আসল! চোট সারিয়ে কামব্যাকের রহস্য কী? জানালেন পাক ম্যাচের নায়ক বুমরাহ

শনিবার বুমরাহকেই ম্যাচের সেরা হিসাবে বাছা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৩, ২১:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৩, ২১:১৫

options
link
মগজাস্ত্রই আসল! চোট সারিয়ে কামব্যাকের রহস্য কী? জানালেন পাক ম্যাচের নায়ক বুমরাহ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১১ মাস মাঠের বাইরে ছিলেন। বলা বাহুল্য, ওই ১১ মাস দুঃসহ যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। অনেকেই সেসময় বলছিলেন বুমরাহ (Jasprit Bumarah) চোট সারিয়ে ফিরলেও আগের মতো ধার তাঁর বোলিংয়ে থাকবে না। কেউ বলছিলেন, এত লম্বা চোট কাটিয়ে ফেরার পর আগের মতো ছন্দ ফিরে পাওয়া অসম্ভব। কারও আবার মত ছিল, বিশ্বকাপের (Cricket World Cup) মতো বড় টুর্নামেন্টের ধকল বুমরাহ আদৌ নিতে পারবেন কিনা, তাতে সন্দেহ রয়েছে। শনিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই সব সংশয়, সব প্রশ্নচিহ্নকে যেন নিমেষে মাঠের বাইরে ফেলে দিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার বলা হয়।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। ভারতের পাঁচ বোলারই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। অথচ এঁদের সকলের মধ্যে বুমরাহকেই ম্যান অফ দ্য ম্যাচ বেছে নেওয়া হয়েছে। আর তাতে সম্ভবত কেউই বিশেষ অবাক হননি। পাক ম্যাচের শেষ বুমরাহর নামের পাশে লেখা রয়েছে ৭ ওভারে ১৯ রান খরচ করে ২ উইকেট। নিঃসন্দেহে অনবদ্য। কিন্তু পরিসংখ্যান যতটা দেখাচ্ছে তার চেয়ে তাঁর প্রভাব অনেক অনেক বেশি ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দত্তক নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা কেন! কেন্দ্রকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের]

নতুন বলে এদিন বুমরাহ উইকেট পাননি। আসলে নতুন বলে সেভাবে সুবিধাও পাননি পেসাররা। বল ভালো ব্যাটে আসছিল। কিন্তু সেসময় বুমরাহ একেবারে কৃপণ বোলিং করে গিয়েছেন। রান বেশি দেননি, ফলে ম্যাচের রাশ পুরোপুরি ভারতের হাতের বাইরে যায়নি। বল একটু পুরনো হতেই বুমরাহ যেন অন্যরকম হয়ে গেলেন। তাঁর স্লোয়ার, কাটার আর ইয়র্কার সামাল দেওয়া যেন অসম্ভব হয়ে যাচ্ছিল। যেভাবে সেট হওয়ার রিজওয়ানকে বোল্ড করে দিলেন সেটা এককথায় অনবদ্য। ঠিক তেমনই শাদাবের আউটও। আর শুধু পাক্ ম্যাচে নয়, বিশ্বকাপের তিন ম্যাচেই বুমরাহকে অনবদ্য দেখিয়েছে।

[আরও পড়ুন: কলেজ পাশ করা হয়নি, সেই রামস্বামীই স্থান পেলেন দেশের সেরা ১০০ ধনীর তালিকায়]

কিন্তু এই সাফল্যের রহস্য কী? বুমরাহ বলছেন, মগজাস্ত্রই তাঁর আসল অস্ত্র। ম্যাচের সেরা হওয়ার পর ভারতীয় পেসার জানাচ্ছেন,”আমরা চেষ্টা করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পিচের চরিত্র বুঝে নিতে। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম এই পিচটা স্লো। জাড্ডু যখন বল করছিল ওর একটা বল সামান্য টার্ন করল। সেটা দেখেই আমি বুঝে গেলাম কী পরিকল্পনা করতে হবে। ঠিক করে ফেললাম আমার স্লোয়ার বলটাকে স্পিনারের বলের মতো ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া বল রিভার্স সুইংও হচ্ছিল। সেটাও কাজে লেগেছে।” বুমরাহ বলছেন,”আমি যখন জুনিয়র ছিলাম সিনিয়রদের খুব প্রশ্ন করতাম। বিরক্ত করতাম। আমার সেই প্রশ্ন করার স্বভাবই এখন কাজে লাগছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.