Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Damien Martyn

মৃত্যুমুখ থেকে প্রত্যাবর্তন! কোমা থেকে জেগে উঠলেন ড্যামিয়েন মার্টিন, ‘মিরাকল’ বলছে পরিবার

ভক্তদের ভালোবাসা ও প্রার্থনায় মার্টিন সুস্থ হয়েছেন বলে মনে করছেন প্রাক্তন সতীর্থ গিলক্রিস্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৫৬

options
link
মৃত্যুমুখ থেকে প্রত্যাবর্তন! কোমা থেকে জেগে উঠলেন ড্যামিয়েন মার্টিন, ‘মিরাকল’ বলছে পরিবার zoom
ড্যামিয়েন মার্টিন। ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোমা থেকে জেগে উঠলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিন (Damien Martyn)। ৩১ ডিসেম্বর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে যান তিনি। প্রাক্তন অজি তারকার সুস্থতা কামনা করেছিলেন অসংখ্যা ক্রিকেটভক্ত। অবশেষে সুখবর। ড্যামিয়েন মার্টিনের পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, তিনি কোমা থেকে জেগে উঠেছেন। পরিবারের মতে, যে আশঙ্কাজনক অবস্থা ছিল, সেখান থেকে এই ‘প্রত্যাবর্তন’ যেন ‘মিরাকল’।

মার্টিনের সঙ্গী আমান্ডা জানিয়েছেন, কোমা থেকে জেগে ওঠার পর চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন তিনি। প্রাক্তন সতীর্থ অ্যাডাম গিলক্রিস্টও অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “মার্টিন কথা বলে শুরু করেছে। ওর পরিবারের কাছে গোটা বিষয়টা ‘মিরাকলে’র মতো। আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই মার্টিনকে আইসিইউ থেকে বের করা যাবে। তবে আপাতত ওকে হাসপাতালেই রাখা হবে। আমি আমান্ডার সঙ্গে কথা বলেছি। ও মনে করে এত ভালোবাসা ও প্রার্থনার জোরেই মার্টিন সুস্থ হয়ে উঠছে। কিন্তু ও যেভাবে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”

Advertisement

৫৪ বছর বয়সি প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বক্সিং ডে অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুত তাঁকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বছরের একেবারে শেষ দিনে জানা যায়, তিনি কোমায় চলে গিয়েছেন। তারপর থেকে নিরন্তর প্রার্থনা করে গিয়েছেন ভক্তরা। সব সময় পাশে ছিল মার্টিনের পরিবার ও প্রাক্তন সতীর্থরা।

১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক হয় মার্টিনের। ২০০৬ পর্যন্ত ব্যাগি গ্রিন টুপি পরেছেন। ৬৭ টেস্টে তাঁর রান সংখ্যা ৪৪০৬। সেঞ্চুরি আছে ১৩টি। অন্যদিকে ২০৮টি ওয়ানডেতে রান করেছেন ৫৩৪৬। সেঞ্চুরি ৫টি। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভাঙা আঙুলে ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই বিশ্বকাপ তো বটেই, তার আগে ১৯৯৯ সালের অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলেও ছিলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.