২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনের মধ্যে জুনিয়রদের কোচিং করাচ্ছেন ধোনি-অশ্বিন! অবাক নেটিজেনরা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 11, 2020 4:26 pm|    Updated: April 11, 2020 4:26 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। যার জেরে পুরোপুরি বন্ধ ক্রিকেট। আন্তর্জাতিক তো বটেই, ঘরোয়া ক্রিকেটেও বল গড়াচ্ছে না মাঠে। এই পরিস্থিতিতে নানাভাবে সময় কাটাচ্ছেন তারকারা। কেউ ওয়ার্ক-আউট করছেন, কেউ নিজের পোষা প্রাণীটির সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ বা আবার রান্না করছেন। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni ) এখনও ক্রিকেটে মগ্ন। তাঁর দোসর হিসেবে জুটেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন সতীর্থ রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin)। দুজনেই মিলে এখন জুনিয়র ক্রিকেটারদের কোচিং দিচ্ছেন।

কিন্তু লকডাউনের সময় মাঠে নেমে প্রশিক্ষণ দেওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ! সেকথা ভালমতোই জানেন দুই তারকা। তাই তাঁরা কোচিং দিচ্ছেন অনলাইনে। নিজেদের অ্যাকাডেমির ক্রিকেটাররা যাতে নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। ধোনি ক্রিকেটারদের ব্যাটিংয়ের তালিম দিচ্ছেন নিজের তৈরি এমএস ধোনি অ্যাকাডেমির মাধ্যমে। ওই অ্যাকাডেমির কোচ সত্রাজিত লাহিড়ী জানিয়েছেন, তাঁরা ‘ক্রিকেটার’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহার করছেন। যেখানে ধোনি নিজের ব্যাটিংয়ের ভিডিও আপলোড করছেন। এবং জুনিয়রদের বলা হচ্ছে সেই ভিডিও দেখে অনুশীলন করতে। অনুশীলন শেষে নিজেদের ভিডিও আপলোড করছে জুনিয়ররা। সেই ভিডিও দেখে অ্যাকাডেমির শিক্ষকরা জুনিয়র ক্রিকেটারদের ভুল ত্রুটি শুধরে দিচ্ছেন। এভাবেই চলছে মাহির কোচিং। একইভাবে অশ্বিনও একটি অ্যাপের মাধ্যমে নিজের তৈরি অ্যাকাডেমির ক্রিকেটারদের কোচিং দিচ্ছেন। ধোনি এবং অশ্বিনের এই অভিনব কোচিং দেখে অবাক নেটিজেনরা। তাঁরা বলছেন, আরও একবার বোঝা গেল, ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়।

[আরও পড়ুন: লকডাউনের জেরে বিপত্তি, ফোনের টাওয়ার পেতে গাছে উঠছেন আইসিসি’র আম্পায়ার!]

এতো গেলও কোচিংয়ের কথা। ফিটনেস ঠিক রাখতে বাড়ির বহু কাজ নিজের হাতে করছেন মাহি। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে নিজের বাড়ির লনে ঘাস ছাঁটতে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে ধোনির দল চেন্নাই সুপার কিংস। উল্লেখ্য, সব ঠিক থাকলে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলা আইপিএল দিয়ে ক্রিকেট মাঠে কামব্যাক করতেন মাহি। কিন্ত, আইপিএলের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। তাছাড়া দেশজুড়ে লকডাউন। তাই গৃহবন্দি হয়েই দিন কাটছে মাহির।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement