Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
India Cricket Team

‘ঘরোয়া ক্রিকেটই দাওয়াই’, ভারতের স্পিন-রোগ সারানো নিয়ে পরামর্শ দুই প্রাক্তন নির্বাচক প্রধানের

রোহিত-বিরাটকে কি বাদ দেওয়া উচিত? কী বলছেন দিলীপ বেঙ্গসরকর ও এমএসকে প্রসাদ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৪, ১২:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৪, ১২:২০

options
link
‘ঘরোয়া ক্রিকেটই দাওয়াই’, ভারতের স্পিন-রোগ সারানো নিয়ে পরামর্শ দুই প্রাক্তন নির্বাচক প্রধানের zoom
Advertisement

রাজর্ষি গঙ্গোপাধ‌্যায়: তাঁরা দু’জনেই প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক প্রধান। তিনটে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল তাঁদের কাছে, অর্থাৎ দিলীপ বেঙ্গসরকর এবং এমএসকে প্রসাদের কাছে। ১) ভারতীয় ক্রিকেটে ফের ট্রানজিশন পর্ব হাজির কি না? ২) স্পিন বোলিংয়ের সামনে ভারতীয় ব‌্যাটারদের দৈন‌্য কাটানোর উপায় কী? ৩) বিরাট-রোহিতের মধ‌্যে এখনও ক্রিকেট ‘জীবিত’ কি না? এবং উত্তরে ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে তাঁরা যা বললেন…।

দিলীপ বেঙ্গসরকর
১) ট্রানজিশন পর্ব: ইয়েস, আসতে চলেছে। তাই পোক্ত বেঞ্চস্ট্রেংথ থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্লেয়ার গ্রুমিংও দরকার। আমি যখন নির্বাচক প্রধান ছিলাম, তখন মিস্টার ডালমিয়া (জগমোহন ডালমিয়া) ‘টিআরডিও’ প্রোজেক্ট শুরু করেছিলেন। যেখান থেকে প্রচুর তরুণ প্রতিভাকে স্পট করে জাতীয় ক্রিকেট অ‌্যাকাডেমিতে গ্রুম করা হত।
২) স্পিন বোলিংয়ের সামনে ব‌্যর্থতা: আমরা আমাদের সময় প্রচুর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতাম। তা ছাড়া টাইমস শিল্ডের মতো স্থানীয় ক্রিকেটও খেলতাম। সেখানে ‘টার্নার’ থাকত। এখন প্রচুর প্লেয়ার ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে বিদেশে খেলতে যায়। তাই টার্নারে খেলার যথেষ্ট সুযোগ তারা পায় না। রনজি ট্রফির সময় এরা বাইরে খেলতে চলে যায়। এদের তো ভালো স্পিন বোলার খেলার সুযোগটাও পেতে হবে।
৩) রোহিত-বিরাটের ভবিষ‌্যৎ: বিশদ মন্তব‌্যে যাব না। তবে দু’জনেই গ্রেট প্লেয়ার। দ্রুতই ফর্মে ফিরবে।

Advertisement

এমএসকে প্রসাদ
১) ট্রানজিশন পর্ব: কাছাকাছি এসে গিয়েছে। দু’তিন বছরে পুরোপুরি শুরু হয়ে যাবে। তবে নির্বাচকরাও ভালো কাজ করছে। কয়েকজন তরুণ ফাস্ট বোলারের নির্বাচন তো বেশ ভালো লাগল।
২) স্পিন বোলিংয়ের সামনে ব‌্যর্থতা: জানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচি ঠাসা থাকে। তবু যদি প্রতিটা টেস্ট সিরিজের আগে আমাদের ক্রিকেটাররা দু’একটা প্রথম শ্রেণির ম‌্যাচ খেলতে পারে, তা হলে সমাধান সম্ভব। তাতে লম্বা ইনিংস খেলতেও সুবিধে হবে। আসলে এখন খেলাটা একমাত্রিক হয়ে গিয়েছে। নামো আর চালাও। আমাদের পেস-বাউন্স খেলতে অসুবিধে হয় না। আমাদের সমস‌্যা হয় স্পিন আর সুইং খেলতে। তা ছাড়া নানাবিধ থ্রো ডাউন স্পেশালিস্টরা থাকার ফলে মুভিং ডেলিভারি বা টার্নিং ডেলিভারি খেলার স্কিলটাও কমেছে কিছুটা।
৩) বিরাট-রোহিতের ভবিষ‌্যৎ: আচ্ছা, ওদের বাদ দিয়ে কি টিম এখনও কল্পনা করা যায়? দু’টো টেস্টে পারেনি বলে বিরাট-রোহিতের স্কিল পড়তির দিকে, ভাবা ঠিক? অস্ট্রেলিয়ায় যেতে দিন দু’জনকে। দেখবেন, দু’জনের সেরাটা বেরিয়ে আসছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.