সিএবি যুগ্ম সচিব মদন ঘোষ বঙ্গ ক্রিকেট প্রশাসন ছেড়ে চলে গিয়েছেন, বেশ কিছু দিন হল। তাঁর পদে নির্বাচন ডেকে শেষ পর্যন্ত ‘অসফল’-ও হয়েছে সিএবি (CAB)। প্রতিনিধিত্বের আইন নিয়ে পনেরো জন জেলাশাসক এবং দশটা ক্লাবের চিঠিতে। কিন্তু মুশকিল হল, সিএবি-র মদন-উপাখ্যান শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। বরং নিত্যনতুন বিতর্কের ‘জন্ম’ হচ্ছে পূর্বতন যুগ্ম সচিবকে ঘিরে!
বিশদে বলা যাক। লোধা আইন অনুযায়ী সিএবি যুগ্ম সচিব পদে মদনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল গত ২১ মে। বয়স সত্তর পূর্ণ হওয়ার কারণে। লোধা আইন বলে, কোনও ক্রিকেট পদাধিকারীর বয়স সত্তর হয়ে গেলে, তিনি আর থাকতে পারবেন না। মদন প্রথমে ডাঁট দেখিয়ে ‘সংবাদ প্রতিদিন’ প্রতিনিধিকে বলেছিলেন যে, “বয়স সত্তর হয়ে গেলে সরে যেতে হবে, কে বলল?” কিন্তু পরে তাঁর সেই ‘দ্রোহ’ ধোপে টেকেনি। সিএবি বিশেষ সাধারণ সভা ডেকে মদনের পদে নির্বাচনের কথা ঘোষণা করে।
আরও পড়ুন:
কিন্তু মুশকিল হল, লোধা আইনে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও সরকারি ভাবে যুগ্ম সচিব পদে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন মদন! দিব্যি চিঠিতে সই-সাবুদ করে গিয়েছেন সিএবি যুগ্ম সচিব হিসেবে! যা জ্ঞানত লোধা আইন ভাঙা ছাড়া আর কিছু নয়! মদন নিয়ে বিতর্ক শুরুর পর সিএবি-র কোনও কোনও আধিকারিক প্রথম দিকে বলেছিলেন যে, সরকারি ভাবে পদ না ছাড়লেও মদন কোথাও সই-সাবুদ করছেন না। যা সম্পূর্ণ ভুল। ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর হাতে গত ১৬ জুনের একটা চিঠি রয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, টালা পুলিশ স্টেশনের ওসি-কে একটা চিঠি লিখেছেন মদন। সংস্থার যুগ্ম-সচিব হিসেবে!
‘রান (২ কিমি) ফর যোগা’ প্রোগ্রামের জন্য সিএবি-র কাছে টালা পার্ক মাঠ ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল টালা পুলিশের তরফে। যা দিয়েছেন তিনি। পুলিশকে অনুমতি দেওয়া নিয়ে কোনও সমস্যাই নেই। সিএবি-র অন্য কোনও পদাধিকারী সেই চিঠি পাঠালেও কোনও সমস্যা হত না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে মদনকে নিয়ে। বলা হচ্ছে, ক্রিকেট প্রশাসনে ততদিনে লোধা আইনে ‘বাতিল’ পর্যায়ভুক্ত একজন কোন অধিকারে সিএবি যুগ্ম সচিব হিসেবে সেই চিঠিতে সই করতে পারেন? ময়দান আরও একটা জিনিস জানতে চায়-সিএবির উচ্চ প্রশাসনিক কর্তারা লোধা আইন জেনেশুনেও যদি মদনকে এ হেন ‘প্রশ্রয়’ না দিতেন, তাঁর এত সাহস হত তো?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নিট এখন নিশ্ছিদ্র, সুপ্রিম কোর্টে জানাল মোদি সরকার, প্রশ্নফাঁস রুখতে কী কী পদক্ষেপ?
-
আখ খেয়ে নিচ্ছে ইথানলে! কম উৎপাদনে চিনির দামে রেকর্ড বৃদ্ধি
-
ভূরি ভূরি সুযোগ নষ্টের ম্যাচে টাইব্রেকারে জয়, ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল
-
পাঞ্জাবেই সংখ্যালঘু হওয়ার পথে শিখেরা! ‘বেশি করে সন্তান নিন’, বলছে উদ্বিগ্ন অকাল তখত
-
কোর্টের নির্দেশে ‘অস্থায়ী’, বিরোধী দলনেতা হিসাবে সেই ঋতব্রতর নাম উঠল বিধানসভার বোর্ডে