Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Gautam Gambhir

আজাদের কথাকে থোড়াই কেয়ার! ফের ট্রফি নিয়ে মন্দিরে গম্ভীর-সূর্যরা

আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে গেলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। এক্ষেত্রেও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১০:০৭

options
link
আজাদের কথাকে থোড়াই কেয়ার! ফের ট্রফি নিয়ে মন্দিরে গম্ভীর-সূর্যরা zoom
সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে গৌতম গম্ভীর ও সূর্যকুমার যাদব। ছবি: এক্স।

কীর্তি আজাদের কথাকে থোড়াই কেয়ার! আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে গেলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। এক্ষেত্রেও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। তাঁরা যান মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে। 

ক্রিকেটের মতো ক্রিকেট-সংস্কার নিয়েও ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর বেশ কড়া। টেকনিক্যাল ব্যাপারস্যাপার ছাড়াও খেলাটার পারিপার্শ্বিকে ঘুরতে থাকা সংস্কারগত যে সমস্ত বিষয়-আশয় থাকে, তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তিনি। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না। সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জোরদার ছিল নিরাপত্তা। গণেশের পুজো দেন তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, ট্রফির উপর মালা পরানো। মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছবিও তোলেন গম্ভীর, সূর্যরা। তাঁদের দেখতে মন্দিরের বাইরে ছিল থিকথিকে ভিড়। পুজো দিয়ে তাঁরা দ্রুত বেরিয়ে যান। বিশ্বকাপ জয়ের রাতেও ট্রফি নিয়ে আহমেদাবাদের হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ। সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।

ভারতের বিভিন্ন শহরে যেসব জাগ্রত মন্দির বা দেবালয় রয়েছে, গম্ভীর নিয়ম করে সেখানে যান। পুজো-আচ্চা দেন। কলকাতায় গেলে কালীঘাট। গুয়াহাটি গেলে কামাখ্যা। অর্থাৎ, খেলার যে আচার সাফল্য-প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিবিড় ভাবে জুড়ে থাকে, যা যা রেওয়াজ পালিত হয়, ভারতীয় কোচের কাছে তা সদা গুরুত্বপূর্ণ। টেকনিক্যাল ব্যাপারস্যাপার ছাড়াও খেলাটার পারিপার্শ্বিকে ঘুরতে থাকা সংস্কারগত যে সমস্ত বিষয়-আশয় থাকে, তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তিনি।

যদিও বিশ্বকাপ জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হনুমান মন্দিরে যাওয়ার পরেই ১৯৮৩-র বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ প্রশ্ন তুলেছিলেন, এই ট্রফি ভারতের সমস্ত ধর্মাবলম্বী মানুষের। সেই ট্রফি কেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে? এহেন বিতর্কের ক’দিন পরেই গুরুদ্বারে গিয়েছিলেন গুরু গম্ভীর। আর এবার ফের তাঁদের দেখা গেল মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে। আজাদের কথায় গম্ভীররা যে পাত্তা দিচ্ছেন না, এটা থেকেই তা স্পষ্ট। পরের বছরেই রয়েছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করেছেন তিনি। নেটিজেনরা বলছেন, ’২৭-এর বিশ্বজয়ের প্রার্থনা কি এখন থেকেই করলেন তিনি? 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.