Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Hanuma Vihari Row

সতীর্থদের ভয় দেখিয়ে চিঠিতে সই, ব্যক্তিগত আক্রমণ, এবার হনুমাকে পালটা অন্ধ্র ক্রিকেট সংস্থার

জাতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করারও অভিযোগ উঠছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ১৫:১৩

options
link
সতীর্থদের ভয় দেখিয়ে চিঠিতে সই, ব্যক্তিগত আক্রমণ, এবার হনুমাকে পালটা অন্ধ্র ক্রিকেট সংস্থার zoom
হনুমা বিহারী। ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হনুমা বিহারী (Hanuma Vihari) ও অন্ধ্রপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার (Andhra Cricket Association) মধ্যে বিবাদে চাঞ্চল্যকর মোড় (Hanuma Vihari Row)। এবার হনুমার বিরুদ্ধে সতীর্থদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলল অন্ধ্র ক্রিকেট সংস্থা। ACA’র দাবি, সতীর্থদের ভয় দেখিয়ে সমর্থনপত্রে সই করিয়েছেন জাতীয় দলের তারকা। শুধু তাই নয়, তিনি সতীর্থদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ অন্ধ্র ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার।

রনজি ট্রফির (Ranji Trophy) কোয়ার্টার ফাইনালের পর রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটান হনুমা। আসলে চলতি রনজি মরশুমের শুরুতে তাঁকে অধিনায়ক বাছা হয়েছিল। বাংলার বিরুদ্ধে রনজি গ্রুপ পর্বের প্রথম ম‌্যাচে তিনি অধিনায়কত্বও করেন। কিন্তু হঠাৎই দ্বিতীয় ম‌্যাচে দেখা যায়, হনুমা খেলছেন সাধারণ প্লেয়ার হিসেবে। নেতৃত্ব দিচ্ছেন রিকি ভুঁই। কানাঘুষো তখন শোনা যাচ্ছিল যে, বাংলার বিরুদ্ধে ম‌্যাচ চলাকালীন স্কোয়াডে থাকা এক ক্রিকেটারের উপর নাকি গলা চড়িয়েছিলেন হনুমা। যে ক্রিকেটারের বাবা আবার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। হনুমার বিরুদ্ধে সেই ক্রিকেটার নাকি নালিশ করেন বাবার কাছে। যার পর সেই রাজনৈতিক নেতা সোজা ফোন করেন অন্ধ্রপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্তাদের। হনুমার বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নিতে বলা হয়। শেষে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় হনুমাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিমাচলে শুরু ‘নাটক’, ইস্তফা মন্ত্রীর, বহিষ্কৃত ১৫ বিধায়ক]

যার পালটা সোশ‌্যাল মিডিয়ায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার লিখে দেন, ‘সবচেয়ে দুঃখজনক ব‌্যাপার হল, সংস্থা মনে করে ওরা যা বলবে, প্লেয়ার মানতে বাধ‌্য। তাই ঠিক করেছি, আর কখনও অন্ধ্রপ্রদেশের হয়ে খেলব না। আমার আত্মসম্মান নষ্ট হয়েছে এখানে। বাংলার বিরুদ্ধে আমি প্রথম ম‌্যাচে অধিনায়ক ছিলাম। সেই ম‌্যাচে দলের সতেরো নম্বর প্লেয়ারের উদ্দেশে চেঁচিয়ে ফেলি। সে গিয়ে তার বাবাকে বলল। তার বাবা আমাদের রাজ‌্য ক্রিকেট সংস্থা কর্তাদের বলল, আমার বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নিতে। আমাকে নেতৃত্ব ছাড়তে বলা হল। অথচ আমার কোনও দোষ ছিল না। আমি ব‌্যক্তিগত ভাবে সেই প্লেয়ারকে আক্রমণ করিনি।’ বিতর্কের এখানেই শেষ নয়। এর পরই হনুমা বর্ণিত সেই ‘প্লেয়ার’ ময়দানে নামেন। যাঁর নাম কেএন প্রুধবি রাজ। এবার সোশ‌্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখে দেন, ‘আপনারা যা শুনলেন, পুরোটাই মিথ্যা। নোংরা ভাষায় ব‌্যক্তিগত আক্রমণ কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। টিমের সবাই জানে সে দিন কী হয়েছিল।’ হনুমা যার উত্তরে নিজের বিবৃতির একটা ছবি পোস্ট করে দেন সোশ‌্যাল মিডিয়ায়। যে বিবৃতিতে লেখা, হনুমার কোনও দোষ নেই। তিনি কোনও ক্রিকেটারকে আগ্রাসী ভাবে ব‌্যক্তিগত আক্রমণ করেননি। ক্রিকেটাররা হনুমাকেই অধিনায়ক হিসেবে চান। সেই বিবৃতির তলায় দেখা একঝাঁক ক্রিকেটারের সই। রিকি ভুঁই থেকে সবার। আর সেই বিবৃতির ছবি পোস্ট করে হনুমা লেখেন, ‘কী ঘটেছে সে দিন সবাই জানে।’

[আরও পড়ুন: গুজরাট উপকূলে এবার উদ্ধার সাড়ে তিন কুইন্টাল মাদক! নৌসেনার জালে পাঁচ পাকিস্তানি]

এদিকে পালটা আসরে নামে অন্ধ্র ক্রিকেট সংস্থাও (Andhra Cricket Association)। হনুমার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি বসিয়ে দেওয়া হয়। সেই তদন্ত কমিটিই রিপোর্ট দিয়ে জানাল, সতীর্থদের চাপ দিয়ে ওই সমর্থনপত্রে সই করিয়েছেন জাতীয় দলে ১৬টি টেস্ট খেলা ক্রিকেটার। একাধিক সতীর্থ হনুমার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। সেই সব অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হবে। তার পরই বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে বিসিসিআইকে। এখানেই থামেনি অন্ধ্র ক্রিকেট বোর্ড। তাদের দাবি, হনুমা বিহারী ক্রিকেটারদের নিয়ে জাতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.