Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Harmanpreet Kaur

ফাইনালের আগের রাতে ‘ঈশ্বরের’ ফোন, হরমনপ্রীতকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন শচীন?

ফাঁস করলেন খোদ ভারত অধিনায়কই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৫, ১০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৫, ১০:১৩

options
link
ফাইনালের আগের রাতে ‘ঈশ্বরের’ ফোন, হরমনপ্রীতকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন শচীন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগের রাত। ১৪০ কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ। অধরা স্বপ্নপূরণের হাতছানি। সব মিলিয়ে চাপ কম নয়। এই সময়ে একটা ফোন। যার উলটো দিকে থাকা ব্যক্তির নাম শচীন রমেশ তেণ্ডুলকর। দুটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন। একটি হেরেছেন, একটি জিতেছেন। তাঁর থেকে ভালো আর কে জানবে এই প্রত্যাশার চাপ কীভাবে সামলাতে হয়? ফাইনালের আগের রাতে শচীনের পরামর্শ কীভাবে বিশ্বজয়ী হতে সাহায্য করেছিল হরমনপ্রীত কৌরদের?

সেই খবর ফাঁস করলেন খোদ ভারত অধিনায়কই। হরমনপ্রীত জানান, ফাইনালের আগের রাতে শচীন ফোন করেছিলেন। কী বলেছিলেন ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’? হরমন জানালেন, “শচীন স্যর তাঁর অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছিলেন। তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন, সব দিক থেকে ভারসাম্য বজায় রাখতে। যখন ম্যাচ খুব দ্রুত গতিতে চলবে, তখন সেটার গতি কমিয়ে দিতে। তখন ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে। কারণ ওই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে গেলে হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেটা যেভাবেই হোক এড়িয়ে চলতে হবে।”

Advertisement

বাকিটা তো ইতিহাস। ২০০৫ ও ২০১৭ সালের ফাইনালে হেরেছিল ভারতের মহিলা দল। অন্যদিকে পুরুষ দল হার মেনেছিল ২০০৩ সালে ও ২০২৩ সালে। যার মধ্যে ২০০৩-র দলে ছিলেন শচীন। তাঁর মতো আর কে জানবে স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা কেমন হয়? আবার ২০১১-র বিশ্বজয়ের মূল কাণ্ডারিও ছিলেন তিনি। ফলে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন হতে হয় সেটাও ভালো করেই জানেন। মহিলা ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এতদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে দাপট ছিল অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের। একবার বিশ্বকাপ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এই প্রথমবার এশিয়া মহাদেশে ট্রফি এল।

ভারতের বিশ্বজয়ের পর ৫-৬ দিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও যেন মুহূর্তটা ভুলতে পারছেন না হরমনপ্রীত। তিনি বলছেন, “যখনই আমরা একে অপরকে দেখি, আমরা কেবল বলি, ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন’। এটা অন্যরকম অনুভূতি। সত্যি বলতে, আমি এখনও বিষয়টা বুঝতে পারছি না। হয়তো কয়েক মাস পর আমি বুঝতে পারব যে আমরা আমাদের দেশকে কী দিয়েছি। এখনও মনে হচ্ছে আমরা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতে বাড়ি ফিরছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.