Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Rising Asia Cup

জলে গেল বৈভবের লড়াই, সুপার ওভারে বাংলাদেশের কাছে হেরে যুব এশিয়া কাপ থেকে ভারতের

সুপার ওভারে বৈভবকে না নামানোর মাশুল দিতে হল ভারত এ দলকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৫, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৫, ১৯:৫৩

options
link
জলে গেল বৈভবের লড়াই, সুপার ওভারে বাংলাদেশের কাছে হেরে যুব এশিয়া কাপ থেকে ভারতের zoom

বাংলাদেশ এ: ১৯৪/৬ (হাবিবুর ৬৫, গুর্জপনীত সিং ৩৯/২)
ভারত এ: ১৯৪/৬ (বৈভব ৩৮, রাকিবুল ৩৯/২)

সুপার ওভার
ভারত এ: ০/২
বাংলাদেশ এ: ১/১
বাংলাদেশ এ ৫ বল হাতে রেখে সুপার ওভারে জয়ী

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুব এশিয়া কাপ (Rising Asia Cup) ফাইনালে যাওয়া হল না ভারত এ দলের। দোহায় সেমিফাইনালে বাংলাদেশের কাছে সুপার ওভারে হেরে বিদায় নিলেন জিতেশ শর্মারা। ওপেনে নেমে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেও দলকে বাঁচাতে পারল না ১৪ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। নির্ধারিত ২০ ওভারের নাটকীয়তা ও কিছুটা ভাগ্যের বদান্যতায় ম্যাচ ড্র হয়। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগাতে পারল না ভারত। সুপার ওভারে বৈভবকে না নামানোর মাশুল দিয়ে হেরে গেল ভারত এ দল।

কাতারের এশিয়ান টাউন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত এ দলের অধিনায়ক জিতেশ শর্মা। তবে বাংলাদেশি ব্যাটাররা যথেষ্ট দাপটের সঙ্গেই ইনিংস শুরু করেন। বিশেষত হাবিবুর রহমান সোহনের সামনে ভারতের বৈশ্যক বিজয় কুমার বা হর্ষ দুবে, কোনও বোলারই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। হাবিবুর ৪৬ বলে ৬৫ রান করেন। ৩টি চারের পাশাপাশি মারেন ৫টি ছয়। হাবিবুর ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের রানের গতি কমে যায়। সেটা আবার বাড়ে মেহেরব হাসান ব্যাট করতে আসার পর। একটা চার ও ছটা ছক্কায় তিনি ১৮ বলে ৪৮ রান করেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৯৪ রানে।

জবাবে অভ্যাসমতোই চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে দেয় বৈভব সূর্যবংশী। প্রথম ওভারেই তুলে নেয় ১৯ রান। ওই ওভারে মারে দুটি ছয় ও একটি চার। পরের ওভারেও দুটি ছক্কা। তার ইনিংস থামে ১৫ বলে ৩৮ রানে। অন্যদিকে আরেক ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ২৩ বলে ৪৪ রান করেন। কিন্তু তারপর ভারতের রানের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। নমন ধীর (৭), জিতেশ শর্মা (৩৩), রমনদীপ সিংরা (১৭) রানের গতি বাড়াতে পারেনি। ফলে শেষ ওভারে গিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান দাঁড়ায় ১৬। আশুতোষ শর্মা ৬ বলে ১৩ রান করে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি আউট হওয়ার পর শেষ বলে দরকার ছিল ৪ রান। দুবের দুর্বল শট লং অন থেকে বাংলাদেশের ফিল্ডার ছুড়ে দেন উইকেটকিপার আকবর আলির দিকে। বড়জোর দুই রান নিতে পারতেন হর্ষরা। তাতেও ম্যাচ জিততে পারত না ভারত। কিন্তু আকরব (তিনি বাংলাদেশের অধিনায়কও) আউট করার চেষ্টা করতে গিয়ে স্টাম্প মিস করেন। সেই সুযোগে আরেকটি রান নিয়ে ম্যাচ ড্র করে দেয় ভারত। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। অন্যদিকে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কাণ্ড দেখে হেসে খুন গ্যালারিতে থাকা শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা।

কিন্তু তাতে কী লাভ হল? সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামানো হল না বৈভবকে। পরপর দুই বলে জিতেশ ও আশুতোষ, দুই শর্মা আউট হয়ে গেলেন। এক রানের লক্ষ্য এক উইকেট হারিয়ে তুলে নিল বাংলাদেশ। সেটাও ব্যাট দিয়ে নয়, সুয়শ শর্মার ওয়াইড বলে। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান, দুই দলের কাছেই হেরেছে ভারত। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.