সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহা নিলামে দল পাননি। শেষবেলায় ডাক পেয়েছেন লখনউ সুপার জায়ান্টসে। আর এখন তাঁর নামের পাশে ১১টি উইকেট। শার্দূল ঠাকুর বেগুনি টুপির দৌড়ে আছেন দ্বিতীয় স্থানে। আর লখনউকে ম্যাচ জিতিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ধারাভাষ্যকারদের উপর। তাঁর সাফ বক্তব্য, সমালোচনার আগে নিজেদের পরিসংখ্যান দেখুন।
শনিবার প্রথমে ব্যাট করে ঝড়ের বেগে শুরু করেছিল গুজরাট টাইটান্স। সেখান থেকে লখনউকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে শার্দূল ঠাকুরদের আঁটসাঁট বোলিং। এক সময় হ্যাটট্রিকও করতে পারতেন শার্দূল। সেটা অবশ্য হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৩৪ রান দিয়ে ২ উইকেট পান। তবে শুভমান গিলদের মাত্র ১৮০ রানে বেঁধে ফেলে লখনউ। পন্থরা ম্যাচও জেতে ৬ উইকেটে।
আর ম্যাচের পর শার্দূল বলেন, “ধারাভাষ্যের সময় অনেকে অযথা সমালোচনা করেন। বোলারদের সব সময় প্রশ্নের মুখে ফেলেন। কিন্তু এখন ২০০-র বেশি রান অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। সমালোচনারও একটা সীমা থাকা দরকার। ঠান্ডা ঘরে বসে জ্ঞান দেওয়া খুব সহজ। কিন্তু মাঠে নেমে আগে বাস্তবটা বুঝুন। আমি তো বলব, সমালোচনার আগে নিজেদের পরিসংখ্যান দেখুন।”
তবে নির্দিষ্ট করে কাকে বলা হচ্ছে, সেরকম কোনও ইঙ্গিত শার্দূল দেননি। এমনিতে আইপিএলের হিন্দি ধারাভাষ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় চলছে। অন্যদিকে শার্দূলও অবিশ্বাস্য কামব্যাক ঘটিয়েছেন। কীভাবে সেটা সম্ভব? লখনউ পেসার কৃতিত্ব দিচ্ছেন দলের সব বোলারদেরই। তিনি বলছেন, “আমরা শেষ পর্যন্ত মাথা ঠান্ডা রেখেছি। নিজেদের উপর ভরসা ছিল যে ম্যাচ জিততে পারি।”
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?