Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Vaibhav Suryavanshi

তুঝে সব হ্যায় পাতা… শূন্য রানে আউট হওয়ার পরই মায়ের ‘আশ্রয়ে’ বৈভব

বৈভব আউট হওয়ার রোহিত যা করলেন, তা কুর্নিশযোগ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৫, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৫, ১৪:০৩

options
link
তুঝে সব হ্যায় পাতা… শূন্য রানে আউট হওয়ার পরই মায়ের ‘আশ্রয়ে’ বৈভব zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেটের বাইশ গজও বোধহয় জীবনের মতো। আগের ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ফিরলেন শূন্য রানে। ম্যাচ হেরে প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেল রাজস্থান রয়্যালসও। আর তারপর দেখা গেল, বৈভব গম্ভীর মুখে কথা বলছেন তার মা আরতী সূর্যবংশীর সঙ্গে। নেটদুনিয়ায় সেই ছবি ভাইরাল হতেই প্রশ্ন, মাকে কী বলল বিস্ময় প্রতিভা?

মাত্র ১৪ বছর বয়স। তার মধ্যেই ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের নাম খোদাই করে দিয়েছে বৈভব। আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে তার মা-বাবার ভূমিকা যে অপরিসীম, সেটা বিহারের ক্রিকেটার মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করে নিয়েছে। অবশ্য পরের ম্যাচেই জীবনের কঠোর বাস্তবের মুখোমুখি হল সে। দীপক চাহারের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে ফেরে বৈভব। স্কোরবোর্ডে রান শূন্য। ম্যাচের পর দেখা গেল গম্ভীর মুখে মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে। যদিও তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে জানা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে নজর কাড়ল ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মার আচরণও। শূন্য রানে আউট হয়ে যাওয়ার পর মাথা নীচু করে ফিরছিল রাজস্থানের ব্যাটার। সঙ্গে সঙ্গে তার দিকে দৌড়ে যান রোহিত। কাঁধে আলতো করে চাপড় দিয়ে যেন বুঝিয়ে দেন, ‘পাশে আছি’। ম্যাচের পরও দেখা যায় বৈভবের সঙ্গে কথা বলছেন হিটম্যান। যা দেখে রবি শাস্ত্রী বলেন, “বৈভবের এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি। রোহিতের থেকে উৎসাহ পেলে সেটা ওর কাজেই লাগবে।”

আগের ম্যাচ সেঞ্চুরির পর শচীন তেণ্ডুকলর থেকে যুবরাজ সিংয়ের থেকে প্রশংসা পেয়েছিল সে। ম্যাচের পর বৈভবের বক্তব্য ছিল, “আমি আজ যেখানে, সেটা বাবা-মায়ের আশীর্বাদে। আমার মা রাত এগারোটার সময় ঘুমিয়ে তিনটের সময় উঠত, কারণ আমার প্র্যাকটিসের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। আমার বাবা কাজ ছেড়ে দিয়েছিল। বড়দাদাই এখন সেসব সামলায়। কিন্তু একটা কথা আমি বিশ্বাস করি, পরিশ্রম করলে ইশ্বর কখনও মুখ ফেরান না। আজ আমি যেটুকু আজ অর্জন করেছি, সেটুকু আমার বাবা-মায়ের আশীর্বাদে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.