Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
Mukul Choudhary

জেল খাটতে হয় বাবাকে! জুটেছে ‘পাগল’ কটাক্ষ, দলীপের আত্মত্যাগেই পূর্ণ ছেলে মুকুলের গল্প

মুকুল চৌধুরী কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ২৭ বলে ৫৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। নিদারুণ আর্থিক সংকটে আত্মীয়স্বজনরা সঙ্গ ছেড়ে দেন। তাতে বাবা-ছেলের জেদ আরও বেড়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৯:৩২

options
link
জেল খাটতে হয় বাবাকে! জুটেছে ‘পাগল’ কটাক্ষ, দলীপের আত্মত্যাগেই পূর্ণ ছেলে মুকুলের গল্প zoom
মুকুল চৌধুরী ও তাঁর বাবা দলীপ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মুকুল চৌধুরী। দেশের ক্রিকেটভক্তরা এতক্ষণে নাম জেনে গিয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ২৭ বলে ৫৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ছোটবেলায় আর্থিক সংকটের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে আইপিএলের মঞ্চ পর্যন্ত এসেছেন। ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর স্বপ্নে বাবাকে জেলে পর্যন্ত যেতে হয়েছিল। মজার বিষয়, মুকুল জন্মানোর বহু আগেই বাবা দলীপ চৌধুরী ঠিক করে রেখেছিলেন, তাঁর ছেলে ক্রিকেটারই হবে।

বৃহস্পতিবার ইডেনে মুকুলের ম্যাচ জেতানো ইনিংস দেখে স্বাভাবিকভাবেই আবেগাপ্লুত তিনি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “আমি ২০০৩ সালে স্নাতক হই। সেই বছরই আমার বিয়ে হয়। আমি স্বপ্ন দেখতাম, যদি আমার ছেলে হয়, তাহলে তাকে ক্রিকেটার হিসেবে তৈরি হয়। পরের বছর আমার ছেলে হয়। খুব কম বয়স থেকেই আমি ঠিক করি, ওকে যেভাবেই হোক ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলব। অনেকেই ক্রিকেটার হচ্ছে, আমার ছেলে কেন হবে না?”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দলীপের আর্থিক অবস্থা খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না। সরকারি চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েও সাফল্য পাননি। শেষমেশ জমি কেনাবেচার ব্যবসায় যুক্ত হন। এটা দলীপের নিজের গল্প। বাবা-ছেলের গল্পটা শুরু হয় আজ থেকে বছর দশেক আগে। রাজস্থানের ঝুনঝুনু গ্রাম থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে শিকারের এসবিএস ক্রিকহাবে এসে পৌঁছন দু’জনে। অ্যাকাডেমিতে ভর্তি তো করিয়ে দিলেন, কিন্তু টাকার জোগান হবে কী হবে? দলীপ বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে ২১ লক্ষ টাকা পান। সেটা দিয়ে ও আরও টাকা লোন নিয়ে শুরু করেন হোটেলের ব্যবসা। কিন্তু সেটা মুখ থুবড়ে পড়ে।

অতঃপর? দলীপ বলছেন, “আমি সময়মতো কিস্তি জমা করতে পারতাম না। আমাকে জেল যেতে হয়। কিন্তু আমি কখনও জালিয়াতি করিনি।” সেই নিদারুণ আর্থিক সংকটে আত্মীয়স্বজনরা সঙ্গ ছেড়ে দেন। লোকে তাঁকে পাগল বলত। তাতে বাবা-ছেলের জেদ আরও বেড়েছে। লোকে যত খারাপ কথা বলেছে, তত বিশ্বাস করেছেন যে তিনি ঠিক পথে আছেন। সেই ঠিক পথ এসে মিশল আইপিএলের মাঠে। অনেক সমস্যা, ব্যর্থতা আসতেই পারে। কিন্তু বাবা-ছেলের গল্প অনুপ্রাণিত করতে পারে বহু মানুষকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.