Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
IPL 2026

একটা সময় পুলিশে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন, সেই নজফগড়ের প্রিন্স ইডেনে লখনউয়ের আশা বাড়াচ্ছেন

পিতা রামনিবাস একবার ছেলেকে বুঝিয়েওছিলেন জীবন নিয়ে। রীতিমতো জোরাজুরি করে দিল্লি পুলিশে কনস্টেবল পদে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন। ফিজিকাল টেস্টে পাশ করতে সমস্যা হয়নি। কিন্তু বাদ সাধে লিখিত পরীক্ষা। ছেলের মন পড়াশোনা-পরীক্ষা বাদে অন্যত্র ছিল যে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৫:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৫:৪১

options
link
একটা সময় পুলিশে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন, সেই নজফগড়ের প্রিন্স ইডেনে লখনউয়ের আশা বাড়াচ্ছেন zoom
প্রিন্স যাদব। ফাইল ছবি।

বছর কয়েক আগে নজফগড় আরপিএফের অ্যাসিসট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর রামনিবাস যাদব বড়ই দুশ্চিন্তায় পড়ছিলেন ছোট ছেলেকে নিয়ে। ছেলে বড় হচ্ছে। দু’দিন বাদে চাকরি-বাকরি নিয়ে সচেষ্ট হতে হবে। কিন্তু ছেলে, অর্থাৎ প্রিন্সের সে সবে কোনও আগ্রহই নেই। তাঁর ধ্যান, তাঁর জ্ঞান, একটাই বস্তু। বিভিন্ন টেনিস বল টুর্নামেন্টে ইয়র্কার করে যাওয়া! 

পিতা রামনিবাস একবার ছেলেকে বুঝিয়েওছিলেন জীবন নিয়ে। রীতিমতো জোরাজুরি করে দিল্লি পুলিশে কনস্টেবল পদে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছিলেন। ফিজিকাল টেস্টে পাশ করতে সমস্যা হয়নি। কিন্তু বাদ সাধে লিখিত পরীক্ষা। ছেলের মন পড়াশোনা-পরীক্ষা বাদে অন্যত্র ছিল যে! শেষে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত পিতাকে প্রিন্স বলেন যে, “বাবা তুমি আমাকে নিয়ে চিন্তা করা ছাড়ো। আমি ঠিক কিছু না কিছু করে নেব।”

Advertisement

কিছু না কিছু নয়। প্রিন্স যাদব যা করেছেন, তা এখন দেশে যে কোনও উঠতি ক্রিকেটারের স্বপ্ন বটে। আইপিএল (IPL 2026) টিমে সুযোগ করে নেওয়া। ও হো, প্রিন্স যাদবের (Prince Yadav) আসল পরিচয় এখমও দেওয়া হয়নি। ইনি পেসার। দারুণ সুইং বোলিং করেন। খেলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস জার্সিতে। যাঁর নামের পাশে ইতিমধ্যে ভারতের টি-টোয়েন্টি সহ-অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল এবং কিপার-ব্যাটারের ঈশান কিষানের উইকেট রয়েছে! যিনি আর দু’দিনে নামবেন ইডেনে, অজিঙ্ক রাহানের কেকেআরের বিরুদ্ধে!

“কোন বাবা ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবে না বলুন? আঠারো বছর বয়স অবধি আমার ছেলে তো লেদার বলে ক্রিকেটই খেলেনি! এরপর আমি ওকে পুলিশের পরীক্ষায় বসতে বলব না?” ক্রিকেটার-পুত্রকে নিয়ে বলে দেন পিতা রামনিবাস। “পড়াশোনা-পরীক্ষার প্রতি ওর অনাগ্রহ দেখে ঠিক করি, যা চায়, তাই করুক। তবে নিজের উপর প্রিন্সের বিশ্বাস দেখে ভরসা পেয়েছিলাম। কিন্তু আর্থিকভাবে ওকে দারুণ কিছু সহায়তা করার উপায় আমার ছিল না। অ্যাসিসট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টরের বেতনে আর কতটাই বা টানা যায়?” যোগ করেন তিনি। আর নজফগড়ের দরিয়াপুরে সেই রামনিবাসের গ্রামের বাড়িতে এখন প্রতিবেশীরা নিত্য ‘হানা’ দিচ্ছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.