সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডি.লিট দেওয়া হবে ভারতীয় মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে এই বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া প্রস্তাবে ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
দোসরা নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার নাদিন ডি ক্লার্কের ক্যাচ তালুবন্দি করেন হরমনপ্রীত (Harmanpreet Kaur)। এর সঙ্গে তৈরি হয় ইতিহাস। প্রথমবারের মতো বিশ্বজয়ের ট্রফি হাতে তোলে ভারতীয় মহিলা দল। বিশ্বজয়ী সেই অধিনায়ককে ডি.লিট উপাধি দিয়ে সম্মানিত করতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
৩ নভেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। ৭ তারিখ সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। সেখানে হরমনকে ডি.লিট দেওয়ার প্রস্তাব উঠলেও প্রথমে তাকে আমল দেওয়া হয়নি। কারণ হাতে কম সময় ছিল। তাই ডি.লিট দিতে গেলে বিশেষ সমাবর্তনের আয়োজন করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। যা এই কম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য।
তবে বুধবার রাজভবনে সমাবর্তন নিয়ে ফের আলোচনায় বসেন উপাচার্য। রাজভবন সূত্রে খবর, সেখানে আচার্যকে হরমনপ্রীতকে ডি লিট দেওয়ার বিষয়টি জানানো হলে তাতে সায় দেন সিভি আনন্দ বোস। কেবল হরমনপ্রীত নন, বিশেষ অতিথি হিসাবে নোবেলজয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাথ এবং অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিইও শিবকুমার কল্যাণরামনের নামও প্রস্তাব করা হয়েছিল। তাতেও সায় দিয়েছেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর ২৪ ডিসেম্বর সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
ভারত অধিনায়ক বিশ্বকাপের আট ইনিংসে ৩২.৫০ গড়ে ২৬০ রান করেছেন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৯। দু’টি অর্ধশতক রয়েছে তাঁর নামে। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিনি ৮৮ বলে ৮৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়