Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
MS Dhoni

স্বেচ্ছায় নয়, বোর্ডের চাপেই অধিনায়কত্ব ছাড়েন ধোনি! বিস্ফোরক তৎকালীন নির্বাচক

ঠিক কী কথা হয়েছিল ধোনির সঙ্গে, পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিলেন সেসময়ের নির্বাচক। জাতীয় দলের জার্সিতে ৩টি আইসিসি ট্রফি, আর কোনও অধিনায়ক মেন ইন ব্লুর জার্সিতে এতটা সফল হননি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ২০:৫০

options
link
স্বেচ্ছায় নয়, বোর্ডের চাপেই অধিনায়কত্ব ছাড়েন ধোনি! বিস্ফোরক তৎকালীন নির্বাচক zoom
ভারতীয় দলের জার্সিতে ধোনি। ফাইল ছবি।

মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni) এবং তাঁর আত্মত্যাগ। ভারতীয় ক্রিকেটে মিথ। যেভাবে তিনি দলের অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন, যেভাবে স্রেফ একটা টুইটে অবসরের ঘোষণা করেছেন, সেসব এই প্রজন্মের কাছে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু জাতীয় দলের প্রাক্তন এক নির্বাচক এবার যা দাবি করলেন তাতে ধোনির অবসর নিয়ে মিথ ভেঙে যেতে পারে। ওই নির্বাচকের দাবি, ধোনি নিজের ইচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েননি। বরং তাঁকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাপ দিয়েছিল ভারতীয় বোর্ড।

জাতীয় দলের জার্সিতে ৩টি আইসিসি ট্রফি, আর কোনও অধিনায়ক মেন ইন ব্লুর জার্সিতে এতটা সফল হননি। ২০১৪ সালে আচমকাই বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির মাঝপথে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়েন ধোনি। ৩ বছর বাদে তিনি ওয়ানডে অধিনায়কত্ব তুলে দেন বিরাট কোহলির হাতে। প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক যতীন পরাঞ্জাপের দাবি, সেই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ছিল বিসিসিআইয়ের চাপ। স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েননি ধোনি।

Advertisement

পরাঞ্জাপে বলছেন, সেসময় নির্বাচক প্রধান ছিলেন এমএসকে প্রসাদ। তিনি এবং নির্বাচক মণ্ডলী ২০১৭ সালে ঠিক করে ফেলেছিলেন, কোহলির হাতে সব ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব তুলে দেওয়ার সেটাই সেরা সময়। সেই সিদ্ধান্তের কথা ধোনিকে জানানোর জন্য বিস্তর পরিকল্পনাও করেছিলেন তাঁরা। যাতে মাহি কোনওভাবে অসম্মানিত বোধ না করেন। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণা করে পরাঞ্জাপে বলছেন, “মাহি অনেকক্ষণ ধরে ব্যাট করছিলেন। আমি আর এমএসকে শুধু একে অপরের মুখ চেয়ে বসেছিলাম। ধোনি ফেরার পর ওঁর কাছে গিয়ে বললাম, দেখো মাহি আমাদের মনে হয় এবার সময় এসেছে এগিয়ে যাওয়ার।”

পরাঞ্জাপের কথায়, সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান ধোনি। তিনি বলেন, “আমারও মনে হয় এটা সেরা সময়। আমাকে কী করতে হবে সেটা বলুন।” নির্বাচকরা ধোনিকে জানান, একটা ইমেলে লিখে দিতে হবে যে তিনি আর অধিনায়কত্ব করতে চান না।” পরাঞ্জাপে জানান, রাতের মধ্যেই ধোনি ইমেলে সেই কথাটাই লিখে তাঁদের পাঠিয়েছিলেন। বস্তুত, কোনও প্রতিবাদ ছাড়াই নির্বাচকদের সেই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেন। তবে অধিনায়কত্ব ছাড়াটা তাঁর স্বেচ্ছার সিদ্ধান্ত ছিল না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.