১ মাঘ  ১৪২৫  বুধবার ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রিলড চিকেন নয়, কড়কনাথ খেলেই বাড়বে ফিটনেস ও স্ট্যামিনা। ক্যাপ্টেন কোহলিকে এমনই মোক্ষম দাওয়াই বাতলে দিল মধ্যপ্রদেশের কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র। জাবুয়ার এই কেন্দ্রের আবেদন, গ্রিলড বা ঝলসানো মাংস ছেড়ে কড়কনাথ (বিশেষ দেশীয় প্রজাতির কালো মুরগি) খেলেই বাড়বে ফিটনেস ও কর্মক্ষমতা। কারণ, এই মাংসে কোলেস্টরল ও ফ্যাটের পরিমাণ কম। বরং হাই প্রোটিন ও আয়রন সমৃদ্ধ এই মাংস খুবই উপকারি বলে মত ওই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের। সেই মর্মে একটি চিঠিও তারা পাঠিয়েছে বিসিসিআই এবং বিরাট কোহলিকে।

সেখানে তারা লিখেছে, বিরাট কোহলি ও বিসিসিআইকে তারা জাবুয়ার কড়কনাথ চিকেন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। এই মাংসে কোলেস্টরল ও স্নেহপদার্থের পরিমাণ কম। কিন্তু রয়েছে অধিক মাত্রায় প্রোটিন ও আয়রন। এর স্বপক্ষে তারা ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার অন মিট-এর রিপোর্টের উল্লেখও করেছে। মাংসের চাহিদাও নাকি বিদেশ সফরে এই কড়কনাথ মিটিয়ে দেবে বলে আশ্বাস তাদের। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের চিঠিটি প্রকাশ করেছে। কিন্তু সমস্যা হল অন্যত্র। অনেকেই জানেন, বিরাট কোহলি নিরামিষাশী। গত বছর থেকেই তিনি আমিষ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। তবে তার আগের বছর, ২০১৭ সালে একটি ইউটিউব ভিডিওতে তাঁকে বলতে দেখা গিয়েছিল, মধ্যাহ্নভোজে তিনি গ্রিলড চিকেন, আলু সিদ্ধ, পালং শাক এবং অন্যান্য সবজি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু তারপর দুবছর কেটে গিয়েছে। এখন তিনি সম্পূর্ণ নিরামিষাশী। তাই মাংস খাওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না।

যদিও এই তথ্য সম্পর্কে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র যে অবহিত নয়, তা তাদের চিঠি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তবে বিরাটকে বাদ দিয়ে বাকি ভারতীয় ক্রিকেটাররা কড়কনাথের স্বাদ নিতেই পারেন। নিজের ফিটনেস বাড়াতে নিরামিষ খাবার খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরাট। বাটার চিকেনের মতো সুস্বাদু পদের লোভও ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। তাই আপাতত কড়কনাথের প্রয়োজন তাঁর নেই বললেই চলে।

[সিডনিতে সিরিজের তিন নম্বর সেঞ্চুরি পূজারার, ভাঙলেন গাভাসকরের রেকর্ড]

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং