সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মরশুমের প্রথম ক্রিকেট ডার্বি সবুজ-মেরুন। জেসি মুখার্জি ট্রফিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে ৪ উইকেটে হারাল মোহনবাগান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টের গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। এই মরশুমে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ডার্বিতে ২ বল বাকি থাকতেই জিতল সবুজ-মেরুন বাহিনী।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে তপন মেমোরিয়ালের কাছে হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ফলে ডার্বিতে নামার আগে কিছুটা চাপে ছিল লাল-হলুদ বাহিনী। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে মহামেডানকে ১৫ রানে হারিয়ে নেমেছিল মোহনবাগান। সেখানে সল্টলেকের যাদবপুর ক্যাম্পাসের মাঠে জয়ের ধারা বজায় রাখল তারা।
টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন মোহনবাগান অধিনায়ক আমির গনি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ইস্টবেঙ্গল ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান করে। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন ঋতম পোড়েল। ৫৬ বলে ৯৬ রানে আউট হন তিনি। আটটি চারের পাশাপাশি পাঁচটি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। কিন্তু তাঁকে সঙ্গ দিয়ে কেউই সেভাবে বড় রান করতে পারেননি। মোহনবাগানের আমির গনি ও জেসাল কারিয়া ১টি করে উইকেট নেন।

জবাবে মোহনবাগানকে জয়ের রাস্তা প্রশস্ত করেন অভিষেক রামন। উইকেটকিপার কাইফ আহমেদকে সঙ্গ নিয়ে বড় ইনিংস গড়েন তিনি। কিন্তু আচমকা কাইফ, জেসাল ও প্রদীপ্ত প্রামাণিকের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মোহনবাগান। অভিষেক করেন ৩৬ রান এবং কাইফ করেন ২৯ রান। অন্যদিকে ঝড় তুলে দেন চিরাগ গান্ধী। ৩০ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৯ রান। সন্দীপন দাসের জোড়া চার হাঁকিয়ে মরশুমের প্রথম ক্রিকেট ডার্বির জয় নিশ্চিত করেন আমির গনি, চিরাগ গান্ধীরা। ইস্টবেঙ্গলের সৌরভ হালদার ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে শেষরক্ষা করতে পারেননি। মরশুমের প্রথম ডার্বি সবুজ-মেরুন রঙে রাঙিয়ে মাঠ ছাড়েন চিরাগ। সেখানে টানা দুই ম্যাচ হারল ইস্টবেঙ্গল।

সর্বশেষ খবর
-
এবার মাদ্রাসাতেও জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
বিশ্বকাপের ‘দ্বিতীয়’ উদ্বোধনী মঞ্চে আগুন ধরালেন নোরা, কানাডা কাঁপালেন ‘বাংলাদেশি’ ডিজে
-
জুটত না থালাভর্তি ভাতও! অভাবকে পরাস্ত করে আকাদেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ২ ছৌ শিল্পী
-
‘বিদ্রোহী’ শিবিরে যেতেই পদ খোয়ালেন মালা রায়, মহিলা তৃণমূলের নতুন সভানেত্রী কে?
-
সড়কপথে ৩৫০ কিমি পাড়ি, বাংলাদেশ পৌঁছলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী