সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেটের ডার্বি জয় মোহনবাগানের। শনিবার জেসি মুখার্জি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে রোমাঞ্চকর ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে ৯ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠল মোহনবাগান। অপর ম্যাচে ভবানীপুর ক্লাব জেতায় সেমিফাইনালের লড়াইয়ে মোহনবাগানের মুখোমুখি হবে তারা।
শনিবার দেশবন্ধু পার্ক মাঠে প্রথমে ব্যাট করে মোহনবাগান ১৯.২ ওভারে ১৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। ওপেনার রঞ্জোত সিং খাইরা (১৭ বলে ৩১) এবং অঙ্কুর পাল (১১ বলে ২০) আক্রমণাত্মক শুরু করেন। সৌরভ হালদার উপহার দেন ৩২ বলে ৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। লাল-হলুদের হয়ে কণিষ্ক শেঠ পান ২৬ রানে ৪ উইকেট।
জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৪ রানেই থেমে যায় মশাল ব্রিগেডের প্রতিরোধ। অভিষেক দাস (৩৪) এবং সন্দীপন দাস (৩৩) এবং ঋত্বিক চ্যাটার্জির ৮ বলে ২২ রানের ইনিংসও ইস্টবেঙ্গলকে জয় এনে দিতে পারেনি। মোহনবাগানের সুশৃঙ্খল বোলিং তারিফ কুড়িয়েছে। অনুরাগ তিওয়ারি, এস যাদব এবং প্রদীপ কুমার পান ২টি করে উইকেট। মারকাটারি ইনিংস উপহার দিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন সৌরভ হালদার। ম্যাচটি ঘিরে কলকাতার ক্লাসিক ডার্বির মতো উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়।
অন্য একটি ম্যাচে খিদিরপুর স্পোর্টিং ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শেষ চারে প্রবেশ করেছে ভবানীপুর ক্লাব। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৫ রান করে খিদিরপুর। শমীক কর্মকার (৩৪) ছাড়া আর কোনও ব্যাটারই ভবানীপুরের বোলারদের সামনে রুখে দাঁড়াতে পারেননি। রাজকুমার পাল ৪ ওভারে ১১ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান। প্রদীপ্ত প্রামাণিক এবং দীপক কুমারও পেয়েছেন দু’টি করে উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৩.২ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করে ভবানীপুর। এদিন শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে ছিলেন শাকির হাবিব গান্ধী। তাঁর ৩৭ বলে ৫৭ রানের ইনিংসই ভবানীপুরের জয়ের পথ সহজ করে দেয়। জয়জিৎ বসু (২৪) এবং অধিনায়ক আমির গণি (২০*)-ও দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।
সর্বশেষ খবর
-
চ্যাটে-কলে প্রেম জমে ক্ষীর, সামনাসামনি আসতেই ভাটা পড়ছে কথায়, কেন এমনটা হয় জানেন?
-
চারদিকে গঙ্গার স্রোত, ভূতনিতে বাড়ির ছাদে আশ্রয় বন্যা দুর্গতদের, ত্রাণ নিয়ে ঘুরছেন আধিকারিকরা
-
৯/১১-র দিন ইউএস ক্যাপিটলেও আছড়ে পড়ত বিমান! লাদেনের সঙ্গীদের রুখে দিয়েছিল আমজনতাই
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ‘শান্তি’তেই আস্থা বামেদের! রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণায় চরমে সিপিএম-আরএসপি কোন্দল
-
গণেশ পুজোয় তুলসী অর্পণ করলে রুষ্ট হন দেবতা! নেপথ্যে কোন পুরাণ কাহিনি?