Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
ODI World Cup 2023

ODI World Cup 2023: ‘বিশ্বের যে কোনও টিমে শামিরা হেঁটে হেঁটে ঢুকবে’, বলছেন ফ্যানি ডে’ভিলিয়ার্স

দুই টিমের পেসাররা ঠিক করবে ইডেন-ভাগ্য, মত ফ্যানি ডে’ভিলিয়ার্সের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৩, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৩, ১৫:৫৩

options
link
ODI World Cup 2023: ‘বিশ্বের যে কোনও টিমে শামিরা হেঁটে হেঁটে ঢুকবে’, বলছেন ফ্যানি ডে’ভিলিয়ার্স zoom

বক্তার নাম ফ‌্যানি ডে’ভিলিয়ার্স। এককালে দক্ষিণ আফ্রিকা পেস ব‌্যাটারির অন‌্যতম প্রধান মুখ ছিলেন। অ‌্যালান ডোনাল্ডের সঙ্গে তাঁর ভয়াল জুটি কে-ই বা ভুলেছে? কে ভুলেছে কৃপণ বোলিংয়ে বিপক্ষ ব‌্যাটারের প্রাণ তাঁর ওষ্ঠাগত করে ছেড়ে দেওয়া? সেই ফ‌্যানি ডে’ভিলিয়ার্স শুক্রবার জোহানেসবার্গ থেকে ফোন সাক্ষাৎকার দিলেন ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে। শুনলেন রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়। 
চলতি বিশ্বকাপে (ODI World Cup 2023) অসাধারণ খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কেউ ভাবতেও পারেনি, ভারতের পিচে টিমটা এমন মারাত্মক খেলবে। কী করে খেলছে এমন টিমটা?
ফ‌্যানি: দক্ষিণ আফ্রিকাকে এমন ভয়ঙ্কর খেলতে দেখে অনেকের আশ্চর্য লাগছে, জানি। কিন্তু আমার লাগছে না। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের আমূল পরিবর্তনের নেপথ‌্যে কিন্তু আমাদের দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের বদল। আগের মতো আর নেই আমাদের দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট। পুরো খোলনলচে বদলে ফেলা হয়েছে। সেরা সমস্ত প্রতিভা উঠে আসছে যার পর নিত‌্য। গত তিন-চার বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে আমাদের জাতীয় টিমকে। যারা একসঙ্গে বিভিন্ন পরিবেশে খেলে-খেলে যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে অভ‌্যস্ত হয়ে গিয়েছে। নিটফল, আমাদের হাতে একটা এমন টিম রয়েছে, যাদের নিয়ে আশাবাদী হওয়াই যায়। 

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:  ইডেন ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া]

বুঝলাম। কিন্তু কুইন্টন ডি’কক বা হেনরিক ক্লাসেন যে ব‌্যাটিংটা করছেন, তা তো অকল্পনীয়।
ফ‌্যানি: কুইন্টন আজ থেকে খেলছে না। তবে আমি ক্লাসেনের কথা আলাদা করে বলব। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে প্রথম যখন খেলতে আসে ক্লাসেন, তখনই ওকে দেখে অসাধারণ লেগেছিল। কী জানেন, একজন ক্রিকেটারের জাত বোঝা যায় দেশের মাঠের কমফোর্ট জোন ছেড়ে সে বেরোলে। ভাল আর অসাধারণের ফারাক তখনই পরিষ্কার হয়ে যায়। আগে আমাদের প্লেয়াররা দেশের মাটিতে দারুণ করলেও, বিদেশে গিয়ে সে ভাবে পারত না। কিন্তু ক্লাসেন যেমন দেশে খেলে, তেমনই বিদেশে। অবশ‌্য এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক এক্সপোজারের কথাটাও বলব।
অর্থাৎ আইপিএল?
ফ‌্যানি: অবশ‌্যই আইপিএল। ভারত আইপিএল যখন শুরু করে, বিশ্বের বাকি ক্রিকেটাররাও নিজেরে উন্নত করার একটা অভাবনীয় সুযোগ পেয়ে যায়। মানছি, আইপিএল টি-টোয়েন্টি ফর্ম‌্যাটে খেলা হয়। আর চলতি বিশ্বকাপ হচ্ছে ওয়ান ডে ফর্ম‌্যাটে। কিন্তু প্ল‌্যাটফর্ম, প্ল‌্যাটফর্মই। তা ছাড়া দেশে যদি সীমিত বিকল্প থাকে ক্রিকেটারের সামনে, সে বাইরে যাবে না কেন? আমি তো বলব, ভারতীয় ক্রিকেটাররা বিভিন্ন ফ্র‌্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেললে, ওদের আরও উন্নতি হত। তবে ক্লাসেনদের সাফল‌্যের পিচে আরও একটা ফ‌্যাক্টর রয়েছে।
কী?
ফ‌্যানি: ইন্ডিয়ার পিচ। ভারতীয় পিচ বোলার সহায়ক, কখনও কেউ দেখেছে না ভেবেছে? আমাদের সময় তো ভাবাই যেত না!
তা হলে মার্করাম-ক্লাসেন-রাবাডাদের চোকার্স তকমা সরানোর শ্রেষ্ঠ সুযোগ বলছেন? যা কি না অভিশাপের মতো জুড়ে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা নামটার সঙ্গে?
ফ‌্যানি: আমাকে আগে বলুন, ট‌্যাগ কোন টিমের পাশে বসে? যারা ভাল খেলে, যারা বেটার টিম, তাদের পাশে, তাই তো? আমরা বারবার সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে উঠেও হেরে গিয়েছি বলে আমাদের নামের পাশে ‘চোকার্স’ তকমা বসেছে। কী জানেন, টুর্নামেন্ট জিততে ভাগ‌্যও কিছুটা লাগে। টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চাশ শতাংশ ভাগ‌্য প্রয়োজন হলে ওয়ান ডে-তে অন্তত তিরিশ শতাংশ দরকার। আমরা সেটা পাইনি কখনও। আশা করি, এবার ভাগ‌্য আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমাদের টিমটা এবার দারুণ। ব‌্যাটিংটা অসম্ভব ভাল। আনরিখ নখিয়া থাকলে পেস বিভাগ আরও বেশি শক্তিশালী হত। কিন্তু রাবাডা ওর অভাব সামলে দেবে। সঙ্গে এনগিডি আছে। কেশব মহারাজ, তাবরেজ শামসির মতো স্পিনার আছে। এর সঙ্গে এবার তিরিশ শতাংশ ভাগ‌্য হলেই আমাদের চলবে!
রোববারের ইডেনে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে ভয়ঙ্কর উন্মাদনা চলছে। সবাই বলছে, বিশ্বকাপের সেরা দু’টো টিম মুখোমুখি হচ্ছে সে দিন।
ফ‌্যানি: হচ্ছে তো। শুধু তাই নয়, আমি বলব বিশ্বকাপ ফাইনালেও ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হতে পারে। দেখুন, রবিবারের ইডেনে ম‌্যাচের ভাগ‌্য ঠিক করে দেবে দু’দলের বোলাররা। আরও ভাল করে বললে, ফাস্ট বোলাররা। দু’টো টিমের ব‌্যাটিং গায়ে-গায়ে। এবার কে বেটার ফাস্ট বোলিং খেলছে, সেটাই আসল। মার্কো জানসেন, রাবাডার মতো পেসাররা আছে। পাওয়ার প্লে রেকর্ডও আমাদের ভাল। মানছি, ভারতীয় পেসাররা আমাদের চেয়ে পনেরো শতাংশ এগিয়ে। কিন্তু রাবাডারা চমকে দিলে অবাক হবেন না।
ভাবাই যায় না, অ‌্যালান ডোনাল্ডের বোলিং পার্টনার ভারতীয় পেস ব‌্যাটারিকে এগিয়ে রাখছেন!
ফ‌্যানি: রাখব না কেন? শুনুন, ফাস্ট বোলিংয়ের দু’টো ডিপার্টামেন্ট থাকে। প্রথমটা, নতুন বল নিয়ে তুমি কী করছ? আর দ্বিতীয়টা, বম্বার্ডমেন্ট! খুল্লমখুল্লা বোমাবর্ষণ! মহম্মদ সামি, জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজরা দু’টোতেই ভয়াল। নিঃসন্দেহে আপনাদের সর্বকালের সেরা পেস ব‌্যাটারি এটা। আমাদের সময়ে সামি বা বুমরার মানের পেসার ভারতের হাতে বড়জোর একটা ছিল। বাকিরা কেউ পাতে দেওয়ার মতো নয়! নিজেই বলুন না, সেই সময় ভারতীয় পেস ব‌্যাটারির মুখ ছিল যারা, বিশ্বের কোনও টিমে ঢুকতে পারত? সাউথ আফ্রিকায় খেললে কেউ সুযোগ পেত? আর এখন? বুমরা-সামি-সিরাজকে বিশ্বের যে কোনও টিম স্রেফ লুফে নেবে! বিশ্বের যে কোনও টিমে সামিরা হেঁটে-হেঁটে ঢুকবে! বুঝলেন এবার, কথাটা কেন বলেছি? 

[আরও পড়ুন: আকাশছোঁয়া বিনিয়োগ, আইপিএল-এর দিকে নজর সৌদি আরবের]

 

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.