সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেটে ভারত-পাক ম্যাচ মানেই মানেই যুযুধান লড়াই। টানটান উত্তেজনা আর হাড্ডাহাড্ডি টক্কর। এবার সেই ছবিই দেখা যাবে অলিম্পিকেও (Paris Olympics 2024)। কারণ জ্যাভলিন থ্রোর ফাইনালে মুখোমুখি ভারতের নীরজ চোপড়া এবং পাকিস্তানের আর্শাদ নাদিম। হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে স্বদেশীয় প্রতিযোগীকে অভিনব কায়দায় শুভেচ্ছা জানাল পাকিস্তানের ক্রিকেট দল। বাবর আজমদের হুংকার, জ্যাভলিনের সোনা আসবে পাকিস্তানেই।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় রাত বারোটার সময়ে জ্যাভলিন থ্রোর ফাইনাল শুরু হবে। তার আগে পাক ক্রিকেট বোর্ডের তরফে নাদিমের জন্য বিশেষ শুভেচ্ছার একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। টেস্টের অধিনায়ক শান মাসুদ এবং সীমিত ওভারের অধিনায়ক বাবর আজম- দুজনেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আর্শাদ নাদিমকে। এছাড়াও পাক ক্রিকেটারদের মধ্যে নাসিম শাহ, সরফরাজ আহমেদ, শাহিন আফ্রিদিরা শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন। প্রাক্তন পাক পেসার উমর গুলও আশাবাদী, এবার জ্যাভলিন থ্রোর সোনা আসবে পাকিস্তানেই।
[আরও পড়ুন: মোলিনার সামনে ডার্বির ‘ড্রেস রিহার্সাল’, জেমিকে ছাড়া এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধে নামছে মোহনবাগান]
তবে মাঠের বাইরে যতই যুযুধান থাক না কেন, নীরজ এবং আর্শাদ একে অপরকে সম্মান জানাতে ভুলছেন না। ফাইনালের আগে নীরজ নিজেকে মুড়ে নিয়েছেন সতর্কতার মোড়কে। বলছিলেন, ‘‘কোনও সন্দেহ নেই, ফাইনাল রাউন্ড কঠিন হতে চলেছে। প্রতিটি ক্রীড়াবিদ আলাদা আলাদা মানসিকতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবে। যারা যোগ্যতা অর্জন করেছে, সবাই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবে।’’ অন্যদিকে আর্শাদের মতে, ”দক্ষিণ এশিয়া থেকে ফাইনালে রয়েছি আমি আর নীরজ ভাই। এটা আমাকে দারুণ আনন্দ দিচ্ছে। আসা রাখি বিশ্বমঞ্চে আমি আর নীরজ ভাই নিজেদের দেশের নাম উজ্জ্বল করব।” শেষ পর্যন্ত সীমান্তের কোন পারে যাবে সোনার পদক?
[আরও পড়ুন: বড় পুরুষাঙ্গের জন্য হাতছাড়া অলিম্পিক পদক, এবার পর্ন ওয়েবসাইটের বিরাট প্রস্তাব অ্যাথলিটকে]
সর্বশেষ খবর
-
সম্পত্তি হাতাতেই ‘খুন’ দেবস্মিতা, বর্ধমানে গ্রেপ্তার ভাড়াটে দম্পতি! দিল্লিতে অধ্যাপিকা খুনের কিনারা
-
মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, আরও বিপাকে প্রাক্তন মন্ত্রী
-
আপত্তি সত্ত্বেও শরীর প্রদর্শন! ‘মা সেটে থাকলে অন্যায় হত না’, ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বিস্ফোরক জাহ্নবী
-
মাঝরাস্তায় খিদের টান! ৫ টাকা দিয়ে ‘মা আহারে’ মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল
-
টুটু বোস স্মরণে রক্তদান শিবির, উত্তর কলকাতায় একমঞ্চে ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ