সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ডার গাভাসকর ট্রফির মাঝপথেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ব্রিসবেন টেস্টের পর আচমকাই জানিয়ে দেন সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর অবসরের কারণ নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। অন্তত যথার্থ ফেয়ারওয়েল কি পেতে পারতেন না? অশ্বিন সেসব কিছুই চাইছেন না। কিন্তু কেন?
অবসর প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেন, “যখন কেউ বুঝতে পেরেছে, তাঁর দায়িত্ব ফুরিয়েছে, তখন অন্য কিছু মাথায় থাকে না। লোকে তো অনেক কথাই বলবে। আমি প্রথম টেস্ট খেলিনি। দ্বিতীয় টেস্টে খেলেছি, কিন্তু তৃতীয়টায় ছিলাম না। চতুর্থ বা পঞ্চমটায় খেলতে পারতাম, নাও পারতাম। সেই সময় মনে হয়েছিল, আমার শিল্পীসত্তা শেষ। তাই বিদায় নেওয়াই ভালো।”
প্রবল অনাড়ম্বরে যে ভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, তা মনঃপুত হয়নি কপিল দেব নিখাঞ্জের। ভারতের প্রথম বিশ্বজয়ী অধিনায়কের মতে, একটা বিদায়ী সংবর্ধনা বা যথাযথ ফেয়ারওয়েল প্রাপ্য ছিল অশ্বিনের। শুধু কপিল নন, অগণিত ক্রিকেটভক্তেরই একই বক্তব্য। যদিও অশ্বিন বলছেন, “আমি বল করতে নামছি আর লোকে হাততালি দিচ্ছে। তাতে কী যায়ে আসে? মানুষ কতদিন সেটা মনে রাখবে। যখন সোশাল মিডিয়া ছিল না, তখন লোকে একসপ্তাহ কথা বলে ভুলে যেত। আমার ফেয়ারওয়েলের দরকার নেই।”
কিন্তু বুঝতে পারছিলেন যে সময় ফুরিয়ে আসছে। সেই ‘অসম্মান’-এর ভাগীদার হতে চাননি তিনি। অশ্বিন বলছেন, “আমি আরও ক্রিকেট খেলতে চাই। কিন্তু জায়গা কোথায়? সেটা ভারতীয় ড্রেসিংরুমে নয়, অন্য কোথাও। আমি খেলার প্রতি সৎ হতে চেয়েছিলাম। কল্পনা করুন, আমি বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামছি। অথচ দলে আমার জায়গা নেই। কল্পনা করুন, শুধুমাত্র শেষ টেস্ট বলে আমি দলে। আমি সেটা চাইনি। আমি আরও খেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মানুষ প্রশ্ন তোলার আগে সরে যাওয়া ভালো। আমি আনন্দের জন্য খেলতে চেয়েছিলাম, সেটা আমি পেয়েছি।”
সর্বশেষ খবর
-
১৫ ঘণ্টার পাওয়ার ব্লকে ভোগান্তিতে যাত্রীরা, দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিকের চেষ্টায় রেল
-
‘ভারতের যুবসমাজ হাতের পুতুল নয়’, ককরোচ পার্টিকে তোপ নীতীন নবীনের
-
সময় দিতে নারাজ পুলিশ, মেসিকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকে সোমবারই ফের তলব, বাড়ছে গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা
-
তরুণীকে নিগ্রহ! অভিযোগ করায় ‘মারধর’, কলেজ স্ট্রিটে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ি ঘিরল বাহিনী
-
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বস্তির জয় মেসিহীন আর্জেন্টিনার, জিতলেও চোট চিন্তায় ব্রাজিল