Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Asia Cup 2025

চাহিদাই নেই এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের টিকিটের! কারণ কী?

এশিয়া কাপে ১৪ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৬:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১৬:৩৭

options
link
চাহিদাই নেই এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের টিকিটের! কারণ কী? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেজে গিয়েছে এশিয়া কাপের দামামা। আর মাত্র ৪ দিনের অপেক্ষা। সকলের পাখির চোখ ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিকে। পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল প্রথমবার মুখোমুখি হতে চলেছে। কিন্তু দুবাইয়ে ভারত-পাক লড়াই নিয়ে নাকি কোনও উন্মাদনাই নেই! এমনকী অসংখ্য টিকিট বিক্রিই হয়নি। কিন্তু কেন এই অবস্থা?

প্যাকেজ ১-এর মধ্যে গ্রুপ ‘এ’ ম্যাচের টিকিট অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ভারত, পাকিস্তান, ওমান এবং আরব আমিরশাহীর ম্যাচের টিকিটের প্রাথমিক মূল্য হল ৪৭৫ দিরহাম, ভারতীয় টাকায় যা ১১ হাজার টাকা। এটা তো সর্বনিম্ন। কিন্তু প্ল্যাটিনাম পর্যায়ের টিকিটের দাম ৭৫ হাজার টাকা। স্কাই বক্স পর্যায়ের টিকিটের দাম ১.৬ লক্ষ টাকা। দ্য রয়্যাল বক্সের টিকিটের দাম ২.৩ লক্ষ টাকা। তবে সবকটিতেই দুজন ম্যাচ দেখতে পারবেন। আর সবচেয়ে দামি অর্থাৎ ভিআইপি স্যুটস পূর্বের দাম ২.৫ লক্ষ টাকা। জানা যাচ্ছে, এই টিকিটে যথেচ্ছ খাবারের ব্যবস্থা থাকছে। তাছাড়া ব্যক্তিগত বিশ্রামের জায়গা ও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে।

Advertisement

আর সেটাই সমস্যা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, হাইভোল্টেজ ম্যাচের ৪ দিনে আগেও সব টিকিট বিক্রি হয়নি। কারণ হিসেবে যা বলা হচ্ছে, তার বাংলা অনুবাদ হতে পারে ‘গলা কাটা দাম’। আর ওই ভিআইপি আসন ছাড়া অন্যগুলিতে খাবারের যা দাম, সেটাও আঁতকে ওঠার মতো। সেই জন্য এখনও পর্যন্ত দুবাইয়ে ভারত-পাক ম্যাচ ‘হাউসফুল’ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া সুপার ফোরে উঠলে দুই দলের একাধিকবার দেখা হবে। অনেকে সেই ম্যাচগুলোর দিকে নজর রাখছেন। 

তবে বাকযুদ্ধ থেমে নেই দুপক্ষের মধ্যে। ভারত-পাক ম্যাচে প্রবল উত্তেজনা থাকবে, একথা মেনে নিয়েছেন দুই দলের অধিনায়কই। সূর্যকুমার বলেন, “মাঠে নামলে আগ্রাসন তো থাকবেই। আগ্রাসন ছাড়া খেলাধুলো হয় না। কোনও ক্রিকেটারকে আলাদা করে কিছু বলার দরকার পড়ে না, কারণ প্রত্যেকে আলাদা মানুষ। প্রত্যেকেই জানে কীভাবে নিজের সেরাটা বের করে আনতে হয়।” পাক অধিনায়ক সলমনের কথায়, “মাঠে কেউ আগ্রাসী হতে চাইলে হতেই পারে। বিশেষত ফাস্ট বোলারদের আগ্রাসন খুবই প্রয়োজন। আমার তরফ থেকে আমি কাউকে আগ্রাসী হতে বারণ করব না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.