Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Jasprit Bumrah

পুরো ফিট না হলে পরবর্তীতে টেস্ট সিরিজে বাদ বুমরাহ! ওয়ার্কলোডের ‘নাটক’ নিয়ে বিরক্ত বোর্ড

বুমরাহকে নিয়ে অনিশ্চিয়তার জেরে দল নির্বাচনেও সমস্যায় পড়ে ম্যানেজমেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৫, ১৪:৪৮

options
link
পুরো ফিট না হলে পরবর্তীতে টেস্ট সিরিজে বাদ বুমরাহ! ওয়ার্কলোডের ‘নাটক’ নিয়ে বিরক্ত বোর্ড zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওভালে গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে খেলছেন না জশপ্রীত বুমরাহ (Jasprit Bumrah)। ওয়ার্কলোডের কথা মাথায় রেখে তাঁকে পঞ্চম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মহম্মদ সিরাজ তো পাঁচটি টেস্টই খেলছে। তাহলে কি ওয়ার্কলোডের ক্ষেত্রে বৈষম্য হচ্ছে? বুমরাহ কি নিজেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, কোন টেস্টে খেলবেন আর কোন টেস্টে খেলবেন না? উত্তরটা যাই হোক না কেন, ওয়ার্কলোড নিয়ে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে বিসিসিআই।

বুমরাহ যে এই সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেলবেন, তা আগেই ঠিক ছিল। কিন্তু কোন টেস্টগুলি খেলবেন তা আগে জানানো হয়নি। সেটা কি বুমরাহ নিজে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে যেমন বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ম্যানেজমেন্টের। কিন্তু সেটাও নেওয়া হচ্ছে, ম্যাচের দিন সকালে। তাতে পরিকল্পনা তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টের।

Advertisement

বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানিয়েছেন, “স্ট্রেংথ ও কন্ডিশন কোচ প্রতিটি প্লেয়ারের জন্য ওয়ার্কলোড ঠিক করতে পারে। কিন্তু বুমরাহকে কোন টেস্টে পাওয়া যাবে, আর কোথায় পাওয়া যাবে না, সেটা তাঁর ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে। যা মেডিক্যাল দল ঠিক করবে।” সেটা মাথায় রেখে বুমরাহকে সেই টেস্ট সিরিজেই রাখা হবে, যেখানে তিনি পুরো সিরিজ খেলতে পারবেন। এটাও বলা হয়েছে, প্রত্যেকটা দল নির্বাচনের আগে মেডিক্যাল টিমকে বুমরাহর ফিটনেস রিপোর্ট বোর্ডের কাছে জমা করতে হবে।

তবে বুমরাহর জন্য সুখবর হতে পারে, ভারত ফের পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলতে পারে দু’বছর পরে। চলতি বছরে যেমন ভারতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুটি টেস্টের সিরিজ আছে। কীভাবে এই ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট কাজ করে, তার ধারণা দিয়েছেন ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক। তিনি জানান, “যদি একজন প্রতি সপ্তাহে ৩০ ওভার করে বল করে, তারপর আচমকা তাঁকে ৩৫ ওভার বল করতে হয়, তাহলে সমস্যা বাড়ে। তাছাড়া দেখতে হয়, বোলার নিজে ক্লান্ত হচ্ছে কি না? তারপর আমরা তাঁর ওয়ার্কলোড নিয়ে ভাবি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.