সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ভেসে এল ওয়াঘার ওপার থেকে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি (Shahid Afridi) বললেন, অধিনায়কই পার্থক্য গড়ে দেন দুদলের মধ্যে। সদ্যসমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেটাই বারংবার দেখা গিয়েছে।
ফাইনালে রোহিত-ব্রিগেড দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সতেরো বছর পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। শাহিদ আফ্রিদি বলেছেন, ”নেতার ভূমিকা সব সময়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাপ্টেনের শরীরী ভাষা একটা দলের শরীরী ভাষা হয়ে ওঠে। ক্যাপ্টেনকে উদাহরণ তৈরি করতে হয়। রোহিত যেমন।”
[আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন স্প্যানিশ কোচের নতুন ঠিকানা বাংলাদেশের নামী ক্লাব! কথা চূড়ান্ত]
পাক দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আফ্রিদি। তাঁর সময়েও পাকিস্তান আগ্রাসী ক্রিকেট খেলত। কিন্তু বাবর আজমের পাকিস্তানকে দেখলেই মনে হবে কাঁধ ঝুলে গিয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ মানেই অবধারিত ভাবে পাকিস্তানের হার। উলটো দিকে রোহিত শর্মা কিন্তু বদলে দিয়েছেন গোটা দলকে। দলের প্রত্যেকের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছেন। আফ্রিদি বলেছেন, ”রোহিতের খেলা দেখুন কেমন বদলে গিয়েছে। লোয়ার অর্ডার ব্যাটারেরও শরীরী ভাষায় আত্মবিশ্বাস ফুটে উঠেছে। অধিনায়ক নিজে আক্রমণাত্মক এবং আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে চায়। সবাই ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে। আমি সবসময়ে বলে থাকি, ক্যাপ্টেনের ভূমিকা সবসময়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
শাহিদ আফ্রিদি মনে করেন, অধিনায়ক নির্বাচনের দায়িত্ব জাতীয় নির্বাচক কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হোক। বুম বুম আফ্রিদিকে বলতে শোনা গিয়েছে, পিসিবি চেয়ারম্যান কী ভাবনাচিন্তা করছেন আমার জানা নেই। কী পরিবর্তন হয়, সেটা দেখার অপেক্ষায় আমি। ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুবই জরুরি। তৃণমূল স্তরে আমাদের পরিকাঠামো খুবই দুর্বল। ওদিকে যদি নজর দেওয়া হয়, তাহলে আরও ভালো মানের সব ক্রিকেটার উঠে আসবে।”
[আরও পড়ুন: ‘সেদিনের ছোট্ট ছেলেটা আজ কিংবদন্তি’, বিশ্বজয়ী বুমরাহকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট প্রতিবেশীর]
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়