সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন শিখর ধাওয়ান। আয়েশা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর আগের বিয়ের সম্পর্ক ভালোভাবে শেষ হয়নি। অবশেষে অতীত যন্ত্রণা ভুলে আবার বিয়ে করছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার। সোফি সাইনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ইতিমধ্যে বেশি চর্চিত। কবে সোফির সঙ্গে চারহাত এক হচ্ছে?
জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন ধাওয়ান-সোফি। দিল্লি এনসিআরে বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। ক্রিকেটমহল ও বলিউডের অনেক তারকা উপস্থিত হতে পারে তাঁদের বিয়েতে। ইতিমধ্যে জমকালো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ধাওয়ানের ঘনিষ্ঠ ও এই বিয়ের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত এক সূত্র একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “ওদের জীবন নতুন ছন্দে শুরু হতে চলেছে। দু’জনেই এই সম্পর্কে অত্যন্ত খুশি।” তিনি আরও জানিয়েছেন, বিয়ের সমস্ত পরিকল্পনা ধাওয়ান নিজের হাতে পরিচালনা করছেন।

শিখরের জীবনে নতুন ইনিংস শুরুর ইঙ্গিত মেলে ২০২৪ সালের শেষের দিকে। সোফির সঙ্গে ঘনিষ্ঠমহলে দেখা যায় তাঁকে। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময়ে ভারতীয় দলের ম্যাচ দেখতে সোফির সঙ্গে হাজির ছিলেন ধাওয়ান। তারপর একসঙ্গে ছবি দিয়ে ‘মাই লাভ’ বলে সবটা স্বীকারও করে নেন। মাস কয়েক আগে গুরুগ্রামে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন গব্বর। ডিএলএফ’র সুপার লাক্সারি প্রজেক্টের অ্যাপার্টমেন্টটির দাম ৬৯ কোটি টাকা। তখনই জল্পনা শুরু হয়, এবার বোধহয় সংসার পাতার পরিকল্পনা করছেন ‘গব্বর’। আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা সোফি প্রোডাক্ট কনসালট্যান্ট হিসাবে কর্মরত। আপাতত দুবাইয়ে থাকেন তিনি। বছর কয়েক আগে দুবাইয়েই শিখরের সঙ্গে তাঁর আলাপ।

এর আগে অস্ট্রেলিয়া নিবাসী বঙ্গকন্যা আয়েশার সঙ্গে বিয়ে হয় ধাওয়ানের। তাঁদের একটি পুত্রও আছে। তাছাড়াও বিয়ের পর আয়েশার দুই কন্যাকে দত্তক নেন শিখর। অবশেষে ২০২৪ সালে শিখর-আয়েশার বিচ্ছেদ হয়।
View this post on Instagram
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে