Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Eden Garden

‘ভারত যে পিচ চেয়েছে, তাই দিয়েছি’, বিতর্কের মুখে বললেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ

গম্ভীরের দাবি মেনেই পিচ, বলছে সিএবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১০:০২

options
link
‘ভারত যে পিচ চেয়েছে, তাই দিয়েছি’, বিতর্কের মুখে বললেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ক্লাবহাউসে একজন রসিকতা করে বলছিলেন, “যা পরিস্থিতি, তাতে দুটো টিম যদি আরও দু’বার করে ব্যাটও করে, তাতেও টেস্ট পুরো পাঁচদিন যাবে না।” মহামেডান মাঠের সামনে কয়েকজন চতুর্থ আর পঞ্চম দিনের টিকিট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের ইচ্ছে ছিল শেষ দুদিন খেলা দেখবেন। এখন তারা কী করবেন বুঝতে পারছেন না।

ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ঘিরে শহরবাসীর উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। ছয় বছর পর টেস্ট হচ্ছে ইডেনে। প্রথম দিন পঁয়ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি দর্শক। শনিবার সেটা বেড়ে হয় চল্লিশ হাজার। সিএবি কর্তরা আশা করছিলেন, রবিবার একেবারে ফুলহাউস হবে ইডেন। কোথায় কী। তৃতীয় দিনের খেলা হবে ঠিক, তবে সেটা কতক্ষণ বলা মুশকিল। কাঠগড়ায় সেই ইডেনের বাইশ গজ। ষাটোর্ধ্ব এক ভদ্রলোক রাগে গজগজ করতে করতে মাঠে ছাড়ছিলেন- “এর জন্য আর কেউ টেস্ট ক্রিকেট দেখতে আসতে চায় না। এটা উইকেট? এটা খেলা। দুটো টিমের একজনও হাফসেঞ্চুরি করতে পারছে না। একদিন পনেরো উইকেট যাচ্ছে?”

Advertisement

সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভগঙ্গোপাধ্যায়কেও বেশ হতাশ দেখাচ্ছিল। তিনি প্রথম থেকেই চাইছিলেন যাতে টেস্ট পাঁচদিন পর্যন্ত যায়। দর্শকরা যাতে ভালো ক্রিকেট দেখতে পারেন। শোনা গেল, ঘনিষ্ঠমহলে সিএবি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ভারতীয় টিম যেরকম পিচ চাইবে, সেরকম দিতে হবে। তাতে টেস্ট যদি আড়াই দিনে শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাঁরা কী করবেন। সৌরভ বলছিলেন, “গম্ভীর এখন ভারতীয় টিমের বস। ও যেরকম পিচ চাইবে, টিম যা চাইবে, সেটা তো দিতেই হবে। এখানে আমাদের তো কিছু করার নেই।’

এটা ঘটনা, গৌতম গম্ভীর শহরে আসার পর থেকে পিচ নিয়ে নানা দাবিদাওয়া শুরু করে দিয়েছিলেন। গম্ভীর প্রবলভাবে চাইছিলেন, প্রথম দিন থেকে যাতে বল টার্ন করে। শুরু থেকে যেন স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পান। একপ্রকার বাধ্য হয়ে ম্যাচের শুরুর এক-দু’দিন আগে থেকে পিচে জল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়ে। যাতে পিচ একেবারে শুকনো হয়ে যায়। যা করতে গিয়ে উইকেটে ফাটল তৈরি হয়। নিট ফল- প্রথম ঘণ্টা থেকেই বেয়াড়া বাউল। দুটো টিমই দুটো ইনিংসে দু’শো তুলতে পারেনি। দ্বিতীয় দিনের শেষে অবস্থা আরও খারাপ। যার জন্য ভারতীয় বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলকে পর্যন্ত প্রেস কনফারেন্সে বলে যেতে হল যে, তারা বুঝতে পারেননি পিচ এতটা খারাপ হয়ে যাবে। মর্কেলের কথায়, “আমরাও বুঝতে পারিনি এত দ্রুত পিচের অবস্থা এত খারাপ হয়ে যাবে। সেটা আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। কিন্তু মর্নি যাই বলে যান কেন, ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট শুরু থেকে ‘অর্জরি’ উইকেটেরই দাবি জানিয়ে গিয়েছে। টেস্টের পরিস্থিতি যা, তাতে ভারত হয়তো ইডেনে জিতবে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট জিতল কি?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.