সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটল সূর্যকুমার যাদবের। এবং সেই ম্যাচেই তিনি ছুঁয়ে ফেললেন বিরাট কোহলির (Virat Kohli) রেকর্ড। কিন্তু ‘স্কাই’ খেলেছেন ‘কিং’ কোহলির থেকে অর্ধেক ম্যাচ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন যুগ শুরু হয়েছে। কুড়ি-কুড়ির ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। ক্যাপ্টেনের আর্মব্যান্ড উঠেছে সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav হাতে। ইতিমধ্যে ভারতীয় দলে কোচের ভূমিকাতেও বদল এসেছে। দ্রাবিড় যুগ শেষ হয়ে শুরু হয়েছে গম্ভীর জমানা। আর শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শুরুটা ভালোই করল গম্ভীর-সূর্য জুটি।
[আরও পড়ুন: আশা জাগিয়েও বারবার হাতছাড়া পদক, ৩৬ বছরের খরা কাটানোর অভিযানে দীপিকা-অঙ্কিতারা]
প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কার সামনে বড় লক্ষ্য রাখে টিম ইন্ডিয়া। দুই ওপেনার শুভমান গিল ও যশস্বী জয়সওয়াল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন। তার পর শুরু হয় সূর্যকুমারের ঝড়। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৫৮ রান করেন সূর্য। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৬ বার ম্যাচের সেরা হলেন স্কাই। বিরাটও ১৬ বার সেরা হয়েছেন, তবে তিনি খেলেছেন ১২৫টি ম্যাচ। সেখানে সূর্যের ইনিংস সংখ্যা ৬৯। অর্থাৎ বিরাটের রেকর্ড ছুঁতে তিনি অর্ধেক সংখ্যক ম্যাচ খেলেছেন।
[আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিকে শোকের ছায়া, গেমস ভিলেজে মৃত্যু বক্সিং কোচের]
জবাবে ব্যাট হাতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি শ্রীলঙ্কাও। কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিসঙ্কা জুটি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিচ্ছিলেন। মারকুটে ব্যাটিংয়ে তাঁরাও ৬ ওভারে ৬০ রান তুলে ফেলে। কিন্তু পাথুমের আউটের পরই আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। অবশেষে জয় দিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হল গম্ভীর যুগ। এবং সেই ম্যাচে নজির গড়লেন অধিনায়ক সূর্যও। সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচের সেরা হওয়ার তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন সিকন্দর রাজা।
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূলের খোলনলচে বদলে দিলেন মমতা, ‘দল বাঁচাতে’ ডানা ছাঁটা হল অভিষেকের!
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা
-
১৯৭০-এর মডেল, ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা! ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির দাম শুনলে চমকে যাবেন
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই