ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার বৈধ কোনও কারণ কি আছে পাকিস্তানের কাছে? পাক বোর্ডের লোকজনরাই বলাবলি করছেন এই নিয়ে। তারা চেয়েছিল, ভারতের বাইরে বিশ্বকাপের (T20 World Cup) ম্যাচ খেলতে। শাহিন আফ্রিদিদের সমস্ত ম্যাচ দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। তার থেকেও বড় প্রশ্ন, বাংলাদেশের নির্বাচনকে মাথায় রেখেই কি ঘুঁটি সাজাচ্ছে পাকিস্তান? মহসিন নকভি পাক ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান হতে পারেন, কিন্তু তাঁর প্রথম পরিচয় রাজনীতিবিদ। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটকে নয়, রাজনীতিকেই তিনি প্রাধান্য দেন।
গত বছর মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় যে সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ বাঁধে ভারত-পাকিস্তানের, তার পরেও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত খেলবে না, বলেনি। বরং নিরপেক্ষ কেন্দ্রে হয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারত সরকার তাতে বাধা দেয়নি। তা ছাড়া সম্প্রচারকারী সংস্থার সঙ্গে আইসিসির চার বছরের চুক্তিই হয়েছিল, ভারত-পাকিস্তান দুই বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে। তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে আইসিসি ইভেন্টে খেলবে, তার সম্মতি নিয়ে। এখন পাকিস্তান সরকার ভারতের সঙ্গে খেলা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে, আদালতে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে পাক ক্রিকেট বোর্ডকে।
আরও পড়ুন:
গত বছর মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের সময় যে সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ বাঁধে ভারত-পাকিস্তানের, তার পরেও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত খেলবে না, বলেনি। বরং নিরপেক্ষ কেন্দ্রে হয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারত সরকার তাতে বাধা দেয়নি।
তবে ওয়াকিবহাল মহল একটা বিষয় দেখতে উৎসুক। তারা দেখতে চায়, ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারি ম্যাচ না খেলার স্টান্স পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে কি না? আসলে পাকিস্তান সরকারি ভাবে না বললেও এটা সর্বজনবিদিত যে, বাংলাদেশের প্রতি ‘সহমর্মিতা’ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। আর সেটা পুরোটাই করা হয়েছে, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে। বর্তমানে মহম্মদ ইউনুসের অন্তবর্তিকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে যেহেতু ভারত-বিদ্বেষ প্রবল বেড়েছে, সেটাকেই হাতিয়ার করতে চেয়েছে পাকিস্তান। ইউনুস সরকারের সঙ্গে দহরম-মহরম বাড়িয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছে, দু’দেশের অতীত যতই তিক্ত হোক, এখন তারা হরিহর আত্মা।

মুশকিল হল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচিত। শেখ হাসিনার অপসারণের পর এই প্রথম পদ্মাপারে নির্বাচিত সরকার আসবে। এখন যারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হয়ে আসবে, সেই রাজনৈতিক দল যে পাকিস্তানের সঙ্গে একই রকম দহরম-মহরম চালিয়ে যাবে, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। বরং ভারতের দিকে পুনরায় বন্ধুত্বের হাত বাংলাদেশ বাড়িয়ে দিলে, অবাক হওয়ার থাকবে না। অনেকে জানতে চান, তখনও কি ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ম্যাচে না খেলার সিদ্ধান্ত বহাল রেখে দেবে পাকিস্তান? বাংলাদেশের পরিস্থিতি প্রতিকূল বুঝে, তারা যে ভারত ম্যাচ খেলা নিয়ে পুনরায় ডিগবাজি খাবে না, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। ওয়াঘার ওপারের লোকজনই বলাবলি করছেন যে, পাক বোর্ড প্রধান নকভি আগে রাজনীতির ভালো দেখবেন, তার পর ক্রিকেটের। তিনি সবার আগে রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক ফায়দা না জোটাতে পারলে, বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত বদলাতে দু’মিনিটও নেবে না পাকিস্তান। কারণ, তখন বাংলাদেশের পাশে থেকেও লাভ হবে না। উল্টে নিজেদের অর্থদণ্ড গুনতে হবে।
সহজে, আমও যাবে ছালাও যাবে!
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সস্তা জনপ্রিয়তার লোভ! মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও, শ্রীঘরে ইনফ্লুয়েন্সার তরুণী
-
‘বলিউডের দেশাত্মবোধক ছবি নিয়ে উচ্চবাচ্য নেই, অথচ পাকিস্তানি শিল্পীকে তোল্লাই’, দিলজিৎকে খোঁচা মিকার
-
‘হিরো’ মচ্ছরকে কুর্নিশ, ‘বাংলা থেকেও তৈরি হবে রাষ্ট্রবাদী পাইলট’, বললেন শুভেন্দু
-
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো ডেট! হাতেনাতে ধরতে সটান স্বামীর গাড়ির বনেটে স্ত্রী, তারপর যা হল…
-
ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের নির্বাচন গুলিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘ভীমরতি’তে হাসির রোল