সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা দশ ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠার পরেও অধরা থেকে গিয়েছে বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023)। ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার পরে ভারতীয় দলের অনেক সদস্যই মুখ খুলেছেন। কিন্তু দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই সদস্য- এখনও তাঁরা চুপ। মেগা টুর্নামেন্ট নিয়ে একটা শব্দও বলতে শোনা যায়নি তাঁদের মুখে। অবশেষে জানা গেল, ফাইনাল হারের পর তাঁদের মনের অবস্থা কীরকম ছিল। অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিশ্বকাপ হারের পর রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) ও বিরাট কোহলি (Virat Kohli) কী করেছিলেন, এবার জানা গেল সেই খবর।
ইউটিউবে একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় ভারতীয় ড্রেসিংরুমের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তারকা স্পিনার জানান, “ফাইনালে হেরে সকলেই ভেঙে পড়েছিলাম। আমাদের সামনেই কেঁদে ফেলেছিল রোহিত আর বিরাট। ওদের দেখে আরও বেশি করে খারাপ লাগছিল। আমাদের অভিজ্ঞ দল, সকলেই জানত কীভাবে খেলতে হবে। পেশাদার হিসাবে সকলেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এরকমটা হওয়ার ছিল না আমাদের সঙ্গে।”
[আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিটম্যান? ‘মিশন রোহিত’-এ নামছে বিসিসিআই]
বিরাট ও রোহিত- দুজনকে দক্ষ অধিনায়ক বলে অভিহিত করেন অশ্বিন। সাক্ষাৎকারে বলেন, “ওরা দুজন অসাধারণ অধিনায়ক। ওদের হাত ধরেই ড্রেসিংরুমে একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।” বিশ্বকাপে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে রোহিতের অধিনায়কত্ব। একই সুর শোনা গিয়েছে অশ্বিনের গলাতেও। তাঁর মতে, “ভারতের সেরা অধিনায়কদের মধ্যে প্রথমেই এম এস ধোনির নাম উঠে আসে। তবে রোহিতও অসাধারণ অধিনায়ক। দলের প্রত্যেকের পছন্দ-অপছন্দ জানে ও। প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ব্যক্তিগতভাবে চেনে রোহিত। না ঘুমিয়েও টিম মিটিংয়ে যোগ দিত রোহিত, যেন দলের প্রত্যেককে ম্যাচের রণকৌশল বোঝাতে পারে।”
[আরও পড়ুন: পর পর চিঠিতেও খুলল না জট, আজ ডার্বিতে গরহাজির থাকতে পারে মোহনবাগান]
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে মিলল সুখবর, দু’দিনের মধ্যেই রাজ্যে ঢুকছে বর্ষা! দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সতর্কবার্তা
-
ট্রাম্পের একগুঁয়েমিতে রেফারিকেই লাল কার্ড! বিমানবন্দর থেকে ডিপোর্ট করল প্রশাসন, বড় ধাক্কা বিশ্বকাপে
-
মমতা জমানায় বেহাল অর্থনীতি! দিল্লিতে নির্মলার সঙ্গে রাজ্যের অবস্থা নিয়ে কথা শুভেন্দুর
-
‘প্রার্থনা করি সহজ যেন তারকাটা হয়’, সিরিজের প্রচারে আর কোন সিক্রেট ফাঁস করলেন প্রিয়াঙ্কা?
-
বিশাখাপত্তনমের স্টিল প্লান্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ১৬০০ ডিগ্রির গলিত লোহায় পুড়ে মৃত ৮ শ্রমিক