৪ মাঘ  ১৪২৫  শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে গিয়ে নারীবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডিয়া ও কে এল রাহুল৷ বোর্ডের তরফ থেকে যেকোনও সময় তাঁদের উপর নেমে আসতে পারে শাস্তির খাঁড়া৷ এমন পরিস্থিতিতে এই বিতর্কে মুখ খুললেন বিরাট কোহলি৷ স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানালেন, ওই মন্তব্য সম্পূর্ণ ভাবে হার্দিক পাণ্ডিয়া ও লোকেশ রাহুলের ব্যক্তিগত৷ দল বা দলের অন্যান্য ক্রিকেটাররা ওই মন্তব্যের সঙ্গে সহমত নন৷ এই বিতর্কে তিনি যে দলের দুই সদস্যের পাশে নেই৷ তাও বুঝিয়ে দেন ভারতের অধিনায়ক৷

[মরুশহরে ফের সুনীল-ঝড় উঠল না, আমিরশাহির কাছে হার ভারতের ]

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল৷ টেস্ট সিরিজ জিতে অজিদের বিরুদ্ধে ইতিহাস গড়েছেন ‘মেন ইন ব্লু’রা৷ এবার ওয়ানডে-র পালা৷ এই পরিস্থিতিতে হার্দিক ও রাহুল বিতর্কে জড়ানোয়, এর প্রভাব পড়তে পারে দলের অন্যান্য সদস্যদের উপর৷ তা বেশ ভালই বুঝতে পেরেছেন বিরাট৷ তাই সাংবাদিক বৈঠকে অধিনায়কোচিত ভূমিকাতে দেখা গেল তাঁকে৷ রইলেন দলের পাশে৷ বিরাট বলেন, ‘‘দায়িত্ববান দল ও খেলোয়াড় হিসাবে আমরা ওঁদের মন্তব্যকে সমর্থন করি না৷ ওটা একদমই ওঁদের ব্যক্তিগত মতামত৷ আমরাও বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি৷’’ পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এর প্রভাব ভারতীয় ক্রিকেট দলের ড্রেসিং রুমে বা প্লেয়ারদের খেলায় পড়বে না৷

বৃহস্পতিবারই, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও লোকেশ রাহুলকে দু’টি ম্যাচ নির্বাসনে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটির প্রধান বিনোদ রাই। বিসিসিআই-এর সিইও রাহুল জোহরিকে একটি মেল করে এই প্রস্তাব দেন তিনি। প্রস্তাবে তিনি লেখেন, হার্দিক ও লোকেশের মন্তব্য অত্যন্ত নিম্নরুচির এবং ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটির সদস্য ডায়না এডুলজিকে রাই পরামর্শ দেন, দুই ক্রিকেটারকে যেন দুই ম্যাচের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিনোদ রাইয়ের মেল প্রসঙ্গে ডায়না এডুলজি বলেন, “এ বিষয়ে দেরি করার মানেই নেই। চিঠি পাঠিয়ে এখনই বোর্ডের নিয়মকানুনের মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।।”

[নতুন বছরে ফের রেকর্ড, ব়্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে এলেন মেরি কম]

প্রসঙ্গত, কফি উইথ করণ শো-তে এসে হার্দিক জানান, তিনি বহুগামী। আর বাবা-মায়ের কাছেও সেসব লুকোন না তিনি। খেলোয়াড়ের এই মন্তব্যের পরই, তাঁর বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষমূলক বক্তব্য পেশের অভিযোগ ওঠে৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই ক্রিকেটারকে শো-কজ করে জবাব চাওয়া হয়। যদিও বিতর্ক শুরু হতেই টুইটারে ক্ষমা চান হার্দিক৷ তিনি জানান, কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্যে ওই মন্তব্য করেননি তিনি৷

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং