Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

সিডনিতে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া, কেন এই ম্যাচকে ‘পিঙ্ক টেস্ট’ বলা হচ্ছে জানেন?

এবছর ভারতের সঙ্গে ১১তম পিঙ্ক টেস্ট খেলছে অজিরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ১০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ১০:২৮

options
link
সিডনিতে মুখোমুখি ভারত-অস্ট্রেলিয়া, কেন এই ম্যাচকে ‘পিঙ্ক টেস্ট’ বলা হচ্ছে জানেন? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেলবোর্ন টেস্ট জিতে ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়ে ফেলেছে বিরাট কোহলির ভারত। সিরিজের ফয়সলার জন্য ভারত ও অস্ট্রেলিয়া বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হয়েছে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। এসসিজিতে ‘পিঙ্ক টেস্ট’ জিতলেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নয়া কীর্তি গড়বে ভারতীয় ক্রিকেট দল। অন্যদিক, সম্মান বাঁচাতে এই টেস্ট জিততেই হবে অজিদের। নাহলে ঘরের মাঠে হারের লজ্জা নিয়ে মুখ পুড়বে টিম পেইনদের। এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মোটামুটি ভালই অবস্থায় রয়েছেন বিরাটরা।

[মাস্টারহীন মাস্টার ব্লাস্টার, প্রয়াত রমাকান্ত আচরেকর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু জানেন কি, কেন এই টেস্ট ম্যাচকে ‘পিঙ্ক টেস্ট’ বলা হচ্ছে? ২০০৯ সালে প্রথম পিঙ্ক টেস্ট হয়েছিল সিডনিতে। সেবার দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়ার। এবছর ভারতের সঙ্গে ১১তম পিঙ্ক টেস্ট খেলছে অজিরা। প্রত্যেক বছরের শুরুতে পিঙ্ক টেস্টের আয়োজন করে অস্ট্রেলিয়া। জানুয়ারিতে গোটা স্টেডিয়াম গোলাপি হয়ে যায়। তার কারণ হল প্রাক্তন অজি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা। গোলাপি টেস্ট থেকে যা টাকা ওঠে পুরোটাই যায় ম্যাকগ্রার সংস্থা দ্য ম্যাকগ্রা ফাউন্ডেশনে। প্রয়াত স্ত্রী জেন ম্যাকগ্রার স্মৃতিতে এই ফাউন্ডেশনটি গড়েছিলেন অজি কিংবদন্তী। মূলত ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করে এই ফাউন্ডেশন। জেন ম্যাকগ্রা ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। সেই স্মৃতিতে স্তন ক্যানসারের মতো মারণরোগের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে চলেছেন। ফাউন্ডশনের সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার ৬৭ হাজার পরিবারকে স্তন ক্যানসারের বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে।

[পন্থ ‘সেরা বেবিসিটার’, ভারতীয় ক্রিকেটারকে নিয়ে মশকরা মিসেস পেইনের!]

২০০৫ সালে স্তন ক্যানসার থেকে জেন কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠার পর দুজনে মিলে দ্য গ্লেন ম্যাকগ্রা ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু করেন। কিন্তু তার তিনবছর পরই জেনের মৃত্যু হয়। তারপর থেকে গোলাপি টেস্ট প্রত্যেক বছর নিয়ম করে আয়োজিত হয়। গোলাপি টেস্টের তৃতীয় দিন বরাবর ‘জেন ম্যাকগ্রা ডে’ হিসাবে বর্ণিত হয়। আর সেইদিন ম্যাচ থেকে সমস্ত আয় সরাসরি যায় দ্য গ্লেন ম্যাকগ্রা ফাউন্ডশনে। মাঠে উপস্থিত সমর্থকরা এই উদ্যোগের সমর্থনে গোলাপি পোশাক পরেন। ক্রিকেটাররাও গোলাপি টুপি পরেন, ব্যাটে গোলাপি স্টিকার লাগান। স্টাম্পগুলিও গোলাপি রঙের থাকে। এসসিজি-র মহিলা স্ট্যান্ডকে এদিন দ্য জেন ম্যাকগ্রা স্ট্যান্ড নাম দেওয়া হয়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এই সহযোগিতায় এককথায় আপ্লুত গ্লেন ম্যাকগ্রা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.