Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
WPL

‘বন্ধু’ জেমাইমার হৃদয় ভাঙলেন স্মৃতি! মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন আরসিবি

শেষ ওভারে রাধা যাদবের পরপর জোড়া বাউন্ডারিতে ম্যাচ পকেটে পুরে নিল আরসিবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ২৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ২৩:২৪

options
link
‘বন্ধু’ জেমাইমার হৃদয় ভাঙলেন স্মৃতি! মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন আরসিবি zoom

দিল্লি ক্যাপিটালস- ২০৩/৪ (জেমাইমা ৫৭, লরা ৪৪)

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু- ২০৪/৪ (স্মৃতি ৮৭, ভল ৭৯)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁরা দু’জন অভিন্নহৃদয় বন্ধু। স্মৃতি মন্ধানা ও জেমাইমা রডরিগেজ। কিন্তু বৃহস্পতিবার WPL-এর ফাইনালে তাঁরাই ছিলেন কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বী। জানাই ছিল, বিজয়ীর হাসি হাসবেন একজনই। শেষমেশ সেই বিজয়ীর শিরোপা পরলেন স্মৃতি। লড়েও হারতে হল জেমাইমাকে। স্মৃতি যে মেজাজে ব্যাট করছিলেন এই খেলার অন্য ফল সত্যিই কল্পনা করা যাচ্ছিল না। যদিও একেবারে শেষে দিল্লি নিশ্চিতভাবেই লড়াই দিয়েছিল। তবু পরপর চারবার ফাইনালে উঠে হারতে হল তাদের। অন্যদিকে আরসিবি এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হল ফাইনাল ওভারে জয় ছিনিয়ে নিয়ে।

এদিন টসে জিতে দিল্লিকে ফিল্ডিং করার আহ্বান জানায় আরসিবি। শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাট করেন শেফালি (২০) ও লিজেল লি (৩৭)। প্রথম পাওয়ার প্লে-তে এক উইকেটে ৪৯ দারুণ না হলেও বেশ ভালো সূচনা মানতেই হবে। নির্ধারিত ২০ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তুলে ফেলে ৪ উইকেটে ২০৩। সর্বোচ্চ অধিনায়ক জেমাইমার ৫৭ (৮x৪)। প্যাডের উপরে আসা সহজ ফুলটসকে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট না হলে স্কোর আরও বাড়তে পারত দিল্লির। লরাও ৪৪ করে যান। একেবারে শেষে চিনেল হেনরি ১৫ বলে ৩৫ করে নটআউট থাকেন। বেঙ্গালুরুর কোনও বোলারই সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেননি লরেন বেল ছাড়া। তিনি ৪ ওভারে ১৯ রান দিলেও উইকেট অবশ্য তুলতে পারেননি।

ব্যাট হাতে নেমেই স্মৃতির মসৃণ স্ট্রেট ড্রাইভ বাউন্ডারিতে আছড়ে পড়ল। খেলা এখান থেকেই ঘুরতে শুরু করল আরসিবির দিকে। খেলা হয়ে গেল কার্যতই একপেশে।

দশের বেশি আস্কিং রেট মাথায় রেখে ব্যাট করতে নামে আরসিবি। শুরুতেই গ্রেস হ্যারিস ফিরে যান ৯ রান করে। তাঁর মিডল স্টাম্প উড়ে যাওয়ার সময় স্কোরবোর্ডেও সাকুল্যে ৯ রানই! এই পরিস্থিতিতে লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে যে পালটা মার দরকার ছিল তা নিয়ে তর্ক থাকতে পারে না। পাশাপাশি উইকেট হাতে রাখাও দরকার ছিল। আর এই পরিস্থিতিতে ব্যাট হাতে নেমেই স্মৃতির মসৃণ স্ট্রেট ড্রাইভ বাউন্ডারিতে আছড়ে পড়ল। খেলা এখান থেকেই ঘুরতে শুরু করল আরসিবির দিকে। খেলা হয়ে গেল কার্যতই একপেশে। অধিনায়ককে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে গেলেন জর্জিয়া ভল। 

ফাইনালে সাধারণত কড়া টক্কর দেখতে চায় সবাই। দুশো রান টার্গেট হিসেবে বেশ বড়। এবং অবশ্যই ট্রফিজয়ের শেষপ্রান্তে পৌঁছে। সেই জায়গায় শুরুতেই উইকেট তুলেও শেষদিকের সামান্য লড়াই বাদ দিলে স্মৃতিদের কাছে যেন কার্যতই আত্মসমর্পণ করলেন শেফালি-জেমাইমারা। অবশ্য না করে সত্যিই কি উপায় ছিল? খেলার একেবারে শেষলগ্নে আউট হওয়া ভল চমৎকার খেলেছেন। ৭৯ রান ৫৪ বলে! মারলেন ১৪টি বাউন্ডারি। নিঃসন্দেহে অসাধারণ। কিন্তু স্মৃতি তাঁর চেয়েও নিখুঁত। কে বল করছে, কোথায় বল করছে সেসব যেন তাঁর মাথাতেই ছিল না। হেলাফেলার ভঙ্গিতে লেংথ বলকে দেখে দেখে যেভাবে সীমানা পার করাচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল কোনও কিছুই আজ তাঁকে থামাতে পারবে, এটা বিশ্বাসই করেন না।

ফাইনালে সাধারণত কড়া টক্কর দেখতে চায় সবাই। দুশো রান টার্গেট হিসেবে বেশ বড়। এবং অবশ্যই ট্রফিজয়ের শেষপ্রান্তে পৌঁছে। সেই জায়গায় শুরুতেই উইকেট তুলেও শেষদিকের সামান্য লড়াই বাদ দিলে স্মৃতিদের কাছে যেন কার্যতই আত্মসমর্পণ করলেন শেফালি-জেমাইমারা।

কিন্তু পরপর উইকেট পড়তেই খেলাটা সামান্য হলেও দিল্লির দিকে বাঁক নিচ্ছিল। তবু আরসিবি কখনওই লড়াই থেকে সরে আসেনি। স্মৃতি করে গেলেন ৪১ বলে ৮৭। ১২টি বাউন্ডারি, ৩টি ওভার বাউন্ডারি। তবু তিনি আচমকা বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে জয়ের আশা করেছিল বইকি দিল্লি। কিন্তু রাধা যাদবের পরপর জোড়া বাউন্ডারিতে ম্যাচ পকেটে পুরে নিল আরসিবি। খেলা শেষ হতে তখনও দুই বল বাকি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.