BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে দীপাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 18, 2016 4:57 pm|    Updated: August 18, 2016 4:57 pm

An Images

দীপক পাত্র, রিও ডি জেনেইরো: অবাক হলেও সত্যি৷ এতদিন বলিউড-টলিউড তারকারা ছিলেন ভারতীয় ফুটবল প্রচারের একমাত্র মুখ৷ বিশ্বকাপার যে ব্যতিক্রম থেকেছেন তা নয়৷ এবার সবাইকে দূরে সরিয়ে দিয়ে ভারতীয় ফুটবল শরণাপন্ন হল জিমন্যাসটিক্সের৷ আর সেই জিমন্যাসটিক্সে ভারতীয়দের একমাত্র মুখ এখন দীপা কর্মকার৷ তাঁকে সামনে রেখেই অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ফুটবলে এগোতে চাইছে ভারত৷ উত্তর-পূর্ব ভারতে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে দীপাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে চাইছে ফুটবল ফেডারেশন৷

ইতিমধ্যেই সেই প্রস্তাব এসে গিয়েছে তাঁর কাছে৷ এখন তিনি রিও-তে৷ তাই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি৷ ত্রিপুরায় ফিরে হয়তো তাঁর মত জানিয়ে দেবেন৷ দীপার কাছে ভারতীয় ফুটবলের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আসা নিঃসন্দেহে বড় ব্যাপার৷ আসলে ফুটবল কর্তারা বুঝে গিয়েছেন, দীপাকে সামনে রেখে এগোতে পারলে উত্তর-পূর্ব ভারতে ভাল বাজার পাওয়া যাবে৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভারতীয় ফুটবল কর্তা ফোনে বলছিলেন, “আমরা দীপাকে চাইছি উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য৷ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে৷ আশা করি ফিরিয়ে দেবে না৷ এখন দীপা ছাড়া এমন কেউ নেই যাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য বাছা যায়৷” কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীও ব্যাপারটা জানেন৷ তবে এই নিয়ে বিশেষ কিছু তিনি বলতে চাননি৷ শুধু জানালেন, “হ্যাঁ, শুনেছি৷ ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন আমাদের কাছে প্রস্তাব রেখেছে৷ আগে বাড়ি ফিরি, তারপর ভাবব৷”

প্রায় চার মাস বাড়ির বাইরে৷ কিন্তু কবে ত্রিপুরায় গিয়ে পৌঁছতে পারবেন, সেটাই ঠিক করে উঠতে পারছেন না৷ রিও থেকে সরাসরি দিল্লি যাবেন৷ সেখানে সাই ও জিমন্যাসটিক্স ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে তাঁর বসার কথা আছে৷ সেটা কবে কোথায় হবে, তা অবশ্য এখনও ঠিক হয়নি৷ ফলে দীপা নিজেই আগরতলা ফেরা নিয়ে পুরো অন্ধকারে৷ তবে এটা ঠিক, ২২ আগস্ট তিনি ফিরবেনই৷ সম্ভব হলে আগের দিন৷ এদিকে এমএ পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ তাঁর ফেরার আগেই একটি বিষয়ের পরীক্ষা হয়েও যাবে৷ পরবর্তী পরীক্ষাগুলি যাতে ঠিকমতো দিতে পারেন, তারজন্য তাড়াহুড়ো করছেন ভারতীয় জিমন্যাসটিক্সের সুপারস্টার৷

এরই মধ্যে, দীপাকে মিশন এগারো লক্ষর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷ সারা দেশে এগারো লক্ষ ফুটবল ছড়িয়ে দেওয়া হবে৷ একইসঙ্গে, তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীর নাম দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য প্রস্তাবিত হচ্ছে৷ তবে তাঁর সঙ্গে সাইয়ের একজন কোচের নামও প্রস্তাব উঠছে৷ ফলে বিশ্বেশ্বরের পুরস্কার পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়৷ এই প্রসঙ্গে দীপা বলেছেন, “আমার কোচ দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য৷ তিনি এই পুরস্কার না পেলে আমি খেলরত্ন পুরস্কার পেলেও কিন্তু খুশি হব না৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement