BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আর্মি একাদশের বিরুদ্ধে জিতলেও ডিফেন্সে ফাঁক ইস্টবেঙ্গলের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 12, 2016 8:40 pm|    Updated: August 12, 2016 8:40 pm

An Images

ইস্টবেঙ্গল- ২ (রফিক, জিতেন)

আর্মি একাদশ- ১ (অলউইন)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যতটা সহজ মনে হয়েছিল আদৌ ততটা সহজ হল না শুক্রবারের ম্যাচ৷ এদিন বারাসত স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল টানা ছ’বারের কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল আর রাফ অ্যান্ড টাফ আর্মি একাদশ৷ সেনা জওয়ানদের ময়দানে একটা সুনাম রয়েছে৷ যেমন শৃঙ্খলাপরায়ণ তেমন শক্তপোক্ত৷ সহজে হাল ছাড়নেওয়ালা নয়৷ তাঁদের দায়বদ্ধতাকে ময়দানে সমীহ করে ছোট-বড় সব দলই৷ এদিনও নিজেদের সুনামের যথেষ্ট মর্যাদা রাখলেন সেনা একাদশের ফুটবলাররা৷ মর্গ্যান ব্রিগেডকে প্রথমার্ধে আটকে দিয়ে৷ আর্মির ফুটবলারদের সঙ্গে শরীরী খেলায় কিছুতেই যুত করতে পারছিলেন না রফিক, আদিলেজারা৷ আদিলেজা ময়দানের বেশ পরিচিত নাম৷ তবে খেপ খাটা ফুটবলার হিসাবে৷ এদিনও সেই খেপ খাটা মনোভাব ফুটে উঠছিল তাঁর খেলায়৷ কোথায় গোলবক্স আর কোথায় তাঁর শট-হেড৷ রফিকও তাই৷ যা চেষ্টা করছিলেন অবিনাশ আর লালরিনডিকা৷ মাঝমাঠে খেলা ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন মেহতাব৷ কলকাতা লিগে খুব মনোযোগ দিয়ে তিনি খেলেন তা বোঝাই যায়৷ কিন্তু পুরো টিম নিয়ে আর্মির গোলমুখ খুলতে পারবেন না মর্গ্যানের ছাত্ররা৷ এদিন অবশ্য ডংকে প্রথমে নামাননি মর্গ্যান৷ তার ফল ভুগতে হল ভাল সেটপিস মুভ না হওয়ায়৷ রুইদাস, রালতেরা আর কত খাটবেন৷ তাই প্রথমার্ধের ফলাফল হল ০-০৷

দ্বিতীয়ার্ধে যেন একটু খোলস ছেড়ে বেরনোর চেষ্টা করলেন মেহতাব, রাহুল ভেকেরা৷ হয়তো হাফটাইমে হেড কোচের টনিক পড়েছিল৷ সে যাই হোক, মেহতাবরা দ্বিতীয়ার্ধে বেশ তেড়েফুঁড়ে খেলতে শুরু করলেন৷ ফলও মিলল, ৪৮ মিনিটে রফিকের গোল৷ তারপর ঠিক এগারো মিনিট পরেই জিতেন মুর্মুর গোলে লিড বাড়িয়ে নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড৷ কিন্তু যতই তেড়েফুঁড়ে খেলুক, রাহুল ভেকেদের ডিফেন্সে যে বিস্তর ফাঁকফোকর৷ অর্ণব মণ্ডলকে দোষ দেওয়া যায় না৷ ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে তিনিই বড় স্তম্ভ৷ বিদেশি অ্যাঙ্গাসকে কলকাতার লিগে চলবে না সেটা বোধহয় লাল-হলুদ কর্তারা ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেছেন৷ ঠিক ৭৮ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সের ভুল, আর তার সুযোগ নিয়ে আর্মির অলউইনের গোল৷ গোলপোস্টের নিচে ব্যারেটো ঠিক কী করতে চাইছিলেন বোঝা গেল না৷ ভাসানো বল গ্রিপ করার বদলে চিপ করলেন আর বল সোজা আর্মির ফুটবলারের পায়ে৷ সেইসময় দর্শকের ভূমিকায় রাহুল ভেকে, অ্যাঙ্গাস এবং অর্ণব৷ শেষদিকে ডংকে নামিয়ে পাল্টা আক্রমণ বাড়াতে চেয়েছিলেন মর্গ্যান৷ কিন্তু শেষপর্যন্ত ম্যাচ জিতলেও কয়েকজনকে নিয়ে তাঁর চিন্তা বাড়ল বই কমল না৷ ম্যাচের সেরা হলেন অবিনাশ রুইদাস৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement