Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

সাম্বা সেলিব্রেশনের দিন হারের জন্য রেফারিকে দায়ী করলেন জার্মান কোচ

গুয়াহাটিতে পৌঁছেই ইংল্যান্ড বধের ছক কষতে শুরু করে দিল ব্রাজিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৭, ০৮:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৭, ০৮:৫৪

options
link
সাম্বা সেলিব্রেশনের দিন হারের জন্য রেফারিকে দায়ী করলেন জার্মান কোচ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাচ শেষের বাঁশি বেজে গিয়েছে অনেকক্ষণ আগে। তিন বছর আগের বেলো হরাইজন্তের মধুর প্রতিশোধ নেওয়া সম্পন্ন। রীতিমতো উত্তেজিত দলের কোচ থেকে খেলোয়াড়রা। আর জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রাজিলের এই জয়ে যে শুধু কলকাতাবাসীরা আনন্দে মেতেছেন তা নয়। গোটা ব্রাজিলের মনেই বর্তমানে স্বস্তি রয়েছে। তবে বেশি আনন্দ নয়, শেষ চারে সামনে শক্তিশালী ইংল্যান্ড। সোমবার গুয়াহাটি পৌঁছেই সেই ছক কষতে শুরু করে দিলেন ব্রাজিল কোচ আমাদিউ। আর কলকাতাও যেন চাইছে ফাইনালে খেলুক ব্রাজিল। যদিও শেষ চারে ওঠা মানেই ফের একবার অ্যালান, পাওলিনহো, ব্রেনারদের ঝলক দেখার সুযোগ পাবে যুবভারতী। কারণ তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচও এখানেই হতে চলেছে। উলটোদিকে, ম্যাচ হারলেও খেলোয়াড়দের উপর নয়, সাংবাদিক সম্মেলনে এসে রেফারির উপর নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন জার্মানির কোচ ক্রিশ্চিয়ান উক। তাঁকে পালটা দিলেন ব্রাজিলের কোচ আমাদিউও।

[অভিশাপ মুক্ত ব্রাজিল, যুব বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জার্মানির]

রবিবার ম্যাচের পর প্রথমে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেন জার্মান কোচ। পাওলিনহোর গোল কি খেলার পার্থক্য গড়ে দিয়ে গেল? প্রশ্নটা শোনার জন্য যেন অপেক্ষা করছিলেন উক। তারপর গড়গড় করে বলতে শুরু করলেন জার্মানির কোচ, “পাওলিনহো নয়, দু’দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়ে গেলেন রেফারি। তাঁর কাছেই আমরা হার স্বীকার করলাম। এবার বিশ্বকাপে প্রতিটি দল বাজে রেফারিং-এর শিকার হচ্ছে। আমরাও তার ব্যতিক্রম থাকলাম না। এভাবে রেফারিং করলে আর যাইহোক কোনও দল জিততে পারে না।” উকের আসল অভিযোগ হল, “ফিফার নিয়মে পরিষ্কার বলা আছে, কনুই গুঁতো মারা মানেই লালকার্ড অনিবার্য। রেফারি লালকার্ড দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট ফুটবলারকে মাঠ থেকে বের করে দেবেন। অথচ রেফারি কোনও কার্ড তো দেখালেন না। উলটে চোখ বন্ধ করে রইলেন। ঘটনাটা আপনারা টিভিতে দেখুন। দেখবেন ৭১ মিনিট থেকে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ক্রমাগত কনুইয়ের গুঁতো মেরে গিয়েছে ব্রাজিলের ৫ (ভিক্টর ববসিন)নম্বর ফুটবলারটি। কোনও শাস্তি তাকে দেওয়া হল না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মাত্র ২৫ মিনিটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে ডেনমার্ক ওপেন চ্যাম্পিয়ন শ্রীকান্ত]

পাশাপাশি ম্যাচের দিন সকালে জার্মানির প্র‌্যাকটিস করাও যে ভুল নয়, সেটা দৃঢ় চিত্তে জানালেন তিনি। তবে স্বীকার করে নিলেন তাঁর দল যদি প্রথমার্ধে খেলে থাকে তাহলে ব্রাজিল খেলেছে বিরতির পর। “ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধে ভাল খেলেছে। কিন্তু রেফারি যা সর্বনাশ করার করে দিয়ে গেল। নাহলে আমাদের হারতে হয়না।” খেলার শেষে কথাগুলো একটানা বলে যাচ্ছিলেন উক। বোঝা যাচ্ছিল কতটা তাঁরা আমেরিকার রেফারির উপর খেপেছেন। এভাবে রেফারির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলায় ফিফা উককে কোনও শাস্তি দেয় কিনা এখন সেটাই দেখার।

[‘আমাকে বখে যেতে দেননি আমার বাবা’]

উকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে আমাদেউ আবার পালটা দিলেন জার্মান কোচকে। উকের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ব্রাজিলিয়ান প্লেয়াররা শরীর ব্যবহার করেছেন। যা লাল কার্ডের যোগ্য। বরং পালটা “আমরা ফুটবলারদের শিক্ষা দিই ভাল খেলার জন্য। ধাক্কাধাক্কি করতে না। আর রেফারি নিয়ে চিন্তা করাটা আমাদের কাজ না। এই বিশ্বকাপে পাঁচটা ম্যাচ খেলে হলুদ কার্ড দেখেছি মাত্র একটা। এই তথ্যটাই জার্মান কোচকে জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আসলে ম্যাচ শেষে দেখছিলাম উনি হেরে গিয়ে অত্যন্ত হতাশ হয়ে পরেছেন। তাই এরকম বলেছেন।”

এদিকে, জার্মান কোচের এহেন অভিযোগের পরেই  নডে়চড়ে বসেছে ফিফা। সামনে সেমিফাইনাল। সেখানে যাতে আর ভুলভ্রান্তি না হয়,  তাই সকাল সকাল সাইতে হেড অফ ফিফা রেফারিং পদে থাকা মাসিমো বুসাকা রেফারিদের নিয়ে বৈঠক করলেন। তারপর মিডিয়ার সামনেও এলেন। বলে দিলেন, “এখন পর্যন্ত রেফারিংয়ের মান নিয়ে আমি খুশি। আমরা প্রত্যেকেই মানুূষ। যে কাজ করবে, প্রবল চাপের মধ্যে তার ভুল হতেই পারে। তবে আমরা আরও নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.