Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬

বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে নজর কাড়লেন কে?

এঁর পরিচয় জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩, ১৯:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩, ১৯:৩৭

options
link
বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে নজর কাড়লেন কে? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ ফুটবলের টান সাংঘাতিক। সে টানেই নানা দেশ থেকে সমর্থকরা গিয়ে হাজির হয়েছেন রাশিয়ায়। কখনও লুঝনিকি তো কখনও স্পার্টাক স্টেডিয়াম। নিজের দলের পতাকা হাতে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠছেন। কখনও আবার বিষাদগ্রস্তও হয়ে পড়ছেন সমর্থকরা। তবে নিজের দলের পাশে যে আছেন, তা প্রতিমুহূর্তে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। উড়ছে দেশপ্রেমের নিশান। সেভাবেই এবার বিশ্বমঞ্চেই উড়ল ভারতের পতাকা। ওড়ালেন এক ফুটবলপ্রেমীই। না, ভারত ময়দানে নেই ঠিকই, তবু তেরঙা থাকল গ্যালারিতে।

[  বিশ্বকাপে কি মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা? কতটা সম্ভাবনা মেসি-রোনাল্ডো দ্বৈরথের? ]

Advertisement

ফিফা ব়্যাঙ্কিংয়ে ভারত ৯৭-এ।  ফলত বিশ্বকাপ খেলার কোনও প্রশ্নই নেই।  তবু ভারত থেকে অনেক সমর্থকই রাশিয়ায় গিয়েছেন বিশ্বকাপ দেখতে।  তাঁরাই ভারতের তেরঙা ওড়াচ্ছেন। তবে সচরাচর তা সবার চোখে ধরা পড়ে না। ডেনমার্ক-ফ্রান্স ম্যাচ চলাকালীন টিভির পর্দাতে দেখা গেল, ভারতের পতাকা হাতে বসে আছেন এক সমর্থক। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে ভারতের পতাকা যিনি ওড়ালেন, তিনি কে?  জানা যাচ্ছে, ইনি কেরলের সেই ফ্রান্সিস। যিনি স্রেফ ফুটবলের টানে অধিকাংশ পথ সাইকেলে করেই পৌঁছেছেন রাশিয়ায়।

[  ফুটবলের টানে সাইকেলে চড়েই রাশিয়া পৌঁছালেন কেরলের ব্যক্তি ]

ফুটবলপাগল অনেকেই হন। তবে কেরলের ফ্রান্সিস যা করেছেন তা রীতিমতো অবাক করার মতো। রাশিয়া পৌঁছেছেন দু-চাকায় চেপেই। ফেব্রুয়ারির আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিলেন প্রস্তুতি। রাশিয়ায় পৌঁছানো, ম্যাচ দেখা, থাকা খাওয়ার খরচ তো কম নয়। যা অর্থ হাতে ছিল তাতে রাশিয়া যাওয়া হয়ে উঠত না। কিন্তু হাল ছাড়তে নারাজ ফ্রান্সিস। কী করছিলেন তিনি? ফ্লাইটে করে পৌঁছে গিয়েছিলেন দুবাই। সেখানে গিয়ে একটা বাই-সাইকেল কিনে নেন। তাতে চেপেই শুরু হয় যাত্রা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ইরান হয়ে চলতে থাকে তাঁর দ্বিচক্রযান। চোখে স্বপ্ন, মনে বল আর প্যাডেলে পা। এই তিনের সম্মীলনেই কেল্লা ফতে। একদিন পৌঁছে গেলেন রাশিয়াতেও। কিন্তু এতটা পরিশ্রম করলেন কেন? ফ্রান্সিসের উত্তর ছিল, স্রেফ ফুটবলের টানে। শুধু নিজের স্বপ্নপূরণ করলেন না ফ্রান্সিস, রাশিয়ায় তেরঙা উড়িয়ে দেশের স্বপ্নও যেন জাগিয়ে তুললেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.