Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
AFC Cup

নাসাফের বিরুদ্ধে লজ্জার হার, চুরমার সবুজ-মেরুনের AFC Cup জয়ের স্বপ্ন

একরাশ লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল এটিকে মোহনবাগানকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১, ২২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১, ২২:২৮

options
link
নাসাফের বিরুদ্ধে লজ্জার হার, চুরমার সবুজ-মেরুনের AFC Cup জয়ের স্বপ্ন zoom
Advertisement

এফসি নাসাফ: ৬ (প্রীতম-আত্মঘাতী,  হুসেন নরচায়েভ ৩, বজোরভ, ডনিয়ের)
এটিকে মোহনবাগান: ০ 
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:
গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ছিল দল। খাতায় কলমে শক্তিও নেহাত কম নয়। তাই AFC কাপের জোনাল সেমিফাইনালে নামার আগে অনেক স্বপ্নই দেখেছিলেন এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) সমর্থকরা। কিন্তু বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। একরাশ লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়লেন রয় কৃষ্ণরা (Roy Krishna)। আইএসএলের (ISL) রানার্স দলকে উজবেক লিগের রানার্স দল নাসাফের কাছে হারতে হল ৬-০ গোলে।

এফসি নাসাফ যে সবুজ-মেরুনের থেকে অনেক শক্তিশালী দল, তা ম্যাচের আগেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন এটিক মোহনবাগান কোচ আন্তনিয় হাবাস (Antonio López Habas)। প্রতিপক্ষ এফসি নাসাফকে কাটাছেঁড়া করার পর প্রতিপক্ষ নিয়ে হাবাসের ব্যাখ্যা ছিল, “প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে এফসি নাসাফ (FC Nasaf) সব সময় ভাল ফল করে। পুরো দলটাই বেশ শক্তিশালী। দলে এমন কিছু ফুটবলার রয়েছে, যারা নিমেষে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে।”

[আরও পড়ুন: এবার পুজোতেও ‘খেলা হবে’, দশভুজার আরাধনার সঙ্গেই ফুটবলে মাতবে ক্লাবগুলি]

তবে, সবুজ-মেরুন কোচ সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর দল নিজেদের ১০০ শতাংশ দেবে।” কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল অন্য ছবি। ১০০ শতাংশ তো দূরের কথা, নিজেদের সেরা পারফরম্যান্সের ধারেকাছেও এদিন যেতে পারলেন না সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। যার ফল ৬-০তে হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল হাবাস ব্রিগেডকে। একে তো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তার উপর তাঁদের ঘরের মাঠ। সেই সঙ্গে ঘরোয়া দর্শকদের চিল-চিৎকার। এই অসম লড়াইয়ে টেরই তুলতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান।

[আরও পড়ুন: সাফের ফাইনালে ভারত উঠতে না পারলে চাকরি যাবে কোচ স্টিমাচের!]

এদিন ম্যাচের শুরুটাই জঘন্য হয় সবুজ-মেরুন শিবিরের। ম্যাচ শুরুর মিনিট চারেকের মধ্যেই প্রীতম কোটালের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। এরপরই খেলা দেখানো শুরু করেন নাসাফের স্ট্রাইকার হুসেন নরচায়েভ। মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করে ফেলেন তিনি। প্রথম গোলটি তিনি পান ১৮ মিনিটে, দ্বিতীয় গোলটি পান ২১ মিনিটে। ৩১ মিনিটে তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন তিনি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষদিকে নাসাফের হয়ে বজোরভ পঞ্চম গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৭১ মিনিটে ষষ্ঠ গোলটি পায় নাসাফ। ম্যাচে সেভাবে পালটা আক্রমণই করতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.