Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Sanjoy Sen

সন্তোষে চূড়ান্ত অব্যবস্থা, লোকাল বাসে যাতায়াত ফুটবলারদের! ম্যাচ জিতে কল্যাণকে তোপ সঞ্জয় সেনের

জয়ের এই কৃতিত্ব ফুটবলারদেরই দিয়েছেন কোচ সঞ্জয় সেন। তবে ম্যাচ জিতেও ফেডারেশনের অব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।

প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ২০:৪০

link
প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ২০:৪০

options
link
সন্তোষে চূড়ান্ত অব্যবস্থা, লোকাল বাসে যাতায়াত ফুটবলারদের! ম্যাচ জিতে কল্যাণকে তোপ সঞ্জয় সেনের zoom
সঞ্জয় সেন। ফাইল ছবি।
Advertisement

নাগাল্যান্ডকে চার গোলে হারিয়ে সন্তোষ ট্রফির যাত্রা শুরু হয়েছে বাংলার। রবি হাঁসদা, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়দের দুরন্ত ফুটবল দেখা গিয়েছে প্রথম ম্যাচেই। বঙ্গ ব্রিগেডের সামনে কোনও জবাব ছিল উত্তর-পূর্বের দলের সামনে। জয়ের এই কৃতিত্ব ফুটবলারদেরই দিয়েছেন কোচ সঞ্জয় সেন। তবে ম্যাচ জিতেও ফেডারেশনের অব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি।

ম্যাচের আগে সঞ্জয় সেনের চিন্তা ছিল, হোটেল থেকে স্টেডিয়ামের দূরত্ব। কারণ হোটেল থেকে স্টেডিয়ামের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিমি। বাংলা দল যেখানে রয়েছে, সেই জায়গার নাম মানকাটা। যা অসমের ডিব্রুগড় জেলায়। আর খেলতে যেতে হয়েছে লখিমপুর জেলার ঢেকুয়াখানায়। ম্যাচের আগে এই দীর্ঘ যাত্রা পেরিয়েও ক্লান্তিহীন ফুটবল উপহার দিয়ে অনবদ্য জয় পেয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড।

Advertisement

সঞ্জয় সেন বলছেন, “পুরোটাই ছেলেদের কৃতিত্ব। একটা-দু’টো ভুলভ্রান্তি হলেও আমাদের ছেলেরা ৯০ মিনিট নিখুঁত খেলেছে। স্কোর লাইন ডবল হতে পারত। তবে সব সময় তো আর গোল হয় না। ওদের অক্ষরে অক্ষরে যা বলা হয়েছে, তা ওরা পালন করার চেষ্টা করেছে।” এরপরেই তিনি গর্জে ওঠেন হোটেল থেকে স্টেডিয়ামের দূরত্ব নিয়ে। “আড়াই ঘণ্টার পথ পেরিয়ে ম্যাচ খেলা চারটিখানি কথা নয়। যাতায়াত নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা পথ পেরিয়ে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার খেলতে হবে। এটা মুখে কথা নাকি? এভাবে ফুটবলটাকে কল্যাণ চৌবে শেষ করে দিচ্ছে।” সাফ মন্তব্য সঞ্জয়ের।

সঞ্জয় সেন বললেন, “আড়াই ঘণ্টার পথ পেরিয়ে ম্যাচ খেলা চারটিখানি কথা নয়। যাতায়াত নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা পথ পেরিয়ে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার খেলতে হবে। এটা মুখে কথা নাকি?”

তিনি আরও বলেন, “তুমি ধরো মেদিনীপুর থেকে দিঘা যাচ্ছ। পথিমধ্যে ধানখেতে মাঠ বসিয়ে দিলে যেমন হয়, এটাও অনেকটা তেমন। ওখানে কিচ্ছু নেই। পঞ্চায়েত এলাকায় মাঠ করা হয়েছে, ভালো কথা। কিন্তু মাঠের পাশাপাশি কোনও হোটেল নেই। সেই সুযোগও নেই। কিছু করার নেই। এই নিয়েই খেলতে হবে। তাছাড়া লোকাল বাসে আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে পা ছড়ানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা পর্যন্ত নেই। কী করব, এসব নিয়েই খেলে যেতে হবে। অজুহাত তো আর দেওয়া যাবে না।” উল্লেখ্য, বাংলার চার গোলে অবদান রেখেছেন রবি হাঁসদা, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, আকাশ হেমব্রম, আকিব নবাবরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.