বাংলা-৫ মধ্যপ্রদেশ -০
(রবি-২, নরহরি-২, টোটন)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার (Bengal Football Team) জয়যাত্রা অব্যাহত। দমন ও দাদরাকে পাঁচ গোল দেওয়ার পরে বুধবার মধ্যপ্রদেশকে (Madhya Pradesh) পাঁচ গোলের মালা পরাল বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের (Biswajit Bhattyacharya) ছেলেরা। রবি হাঁসদা ও নরহরি শ্রেষ্ঠা জোড়া গোল করেন। একটি গোল করেন টোটন দাস।
হরিয়ানাকে হারিয়ে সন্তোষে বাংলার অভিযান শুরু হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে দমন ও দাদরাকে পাঁচ গোলে মাটি ধরিয়েছিল বাংলা। সন্তোষ ট্রফিতে একদিনে তিনটি খেলা হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল সকাল সাড়ে আটটায়। যে সময়তেই খেলা হোক না কেন, বাংলার খেলায় তার প্রভাব পড়েনি। ম্যাচের স্কোরলাইন দেখেই বোঝা যাচ্ছে গোটা ম্যাচে বাংলার কতটা প্রাধান্য ছিল। প্রথমার্ধে তিনটি গোল দেয় বাংলা। দ্বিতীয়ার্ধে দু’টি গোল।
[আরও পড়ুন: পেলেকে বিশেষ সম্মান জানাবে ইডেন, আমন্ত্রিত কসমস ম্যাচের মোহনবাগান টিমকে]
গ্রুপে আরও দু’টি ম্যাচ বাকি বাংলার। ১৩ তারিখ বাংলার সামনে ছত্তিশগড়। আর ১৫ জানুযারি বাংলার প্রতিপক্ষ মহারাষ্ট্র। দুটো ম্যাচই দুপুর সাড়ে তিনটেয়। বাংলার কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, ”বাকি দু’টি ম্যাচে আমাদের জিততে হবে।”
সন্তোষ ট্রফির ক্রীড়াসূচি থেকে মাঠ সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করেছেন বাংলা কোচ। এদিনের খেলা সকাল সাড়ে আটটায় দেওয়া প্রসঙ্গে বিশ্বজিৎ বলছেন, ”স্কুল গেমসে এরকম সকাল সাড়ে আটটায় খেলা দেওয়া হয় বলে শুনেছি। সন্তোষ ট্রফির মতো টুর্নামেন্টে যা সূচি করা হয়েছে, তাতে ভাল ফুটবল কীভাবে সম্ভব তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। যেমন তেমন করে টুর্নামেন্ট শেষ করে দিতে চাইছে।” রেফরিং নিয়েও অভিযোগ জানান বাংলা কোচ।
এত রকম প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বাংলা এগিয়ে চলেছে সন্তোষ। অনেক অসন্তোষের মধ্যেও সন্তোষ বাংলা শিবিরে।
[আরও পড়ুন: আর কতদিন চোটের কবলে? নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও খেলতে পারবেন না বুমরাহ!]
সর্বশেষ খবর
-
কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টে টেলিগ্রাম, বুধেই শুনানি
-
হাইতি ম্যাচেও নেইমারকে নিয়ে ঝুঁকি নয়, তবু হলুদ জার্সির প্রতিটা সুতোয় থাকবে তাঁরই উপস্থিতি
-
ফাইল খোলার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জিটিএ চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা অনীত থাপার
-
বঙ্গীয় ডিম্বাস্ত্র! ক্ষোভ ও ঘৃণাপ্রকাশের আঁশটে ভাষা
-
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের পরের পদক্ষেপ কী? মার্কিন চুক্তির পরও উঠছে প্রশ্ন