Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

ডিকার হ্যাটট্রিকে পিয়ারলেসকে পাঁচ গোলে হারাল মহামেডান

ম্যাচ জিতলেও মহামেডান রক্ষণ চিন্তায় রাখবে বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৩:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৩:০১

options
link
ডিকার হ্যাটট্রিকে পিয়ারলেসকে পাঁচ গোলে হারাল মহামেডান zoom
Advertisement

মহামেডান- ৫
পিয়ারলেস- ২

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি বড্ড আনফিট। দলের বাকিদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। মরশুমের শুরুতেই এই কথাগুলি শুনতে হয়েছিল আই লিগ জয়ী আইজলের সদস্য ডিপান্ডা ডিকাকে। কিন্তু কেন তিনি আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, শনিবার পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে ম্যাচে সেটাই যেন প্রমাণ করে দেখালেন। ম্যাচের সেরা ডিকার হ্যাটট্রিকে পিয়ারলেসকে ৫-২ গোলে হারাল মহামেডান স্পোর্টিং।

Advertisement

[চলতি মরশুমে বিসিসিআই ক্যালেন্ডারে নেই দলীপ ট্রফি]

প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন। কিন্তু দল জিততে পারেনি। পাঠচক্রের কাছে হারতে হয়েছিল ৪-২ গোলে। কিন্তু তারপরের দু’টি ম্যাচ জিতলেও গোল আসেনি ডিকার পা থেকে। কিন্তু এদিন এল। দলও জিতল বিরাট ব্যবধানে। আর সেই কারণেই স্বস্তিতে সাদা কালো ব্রিগেড। যদিও ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল পিয়ারলেস। রহিম নবির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া সুখবিন্দরের বিশ্বমানের শট মহামেডান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে গোলে ঢুকে যায়। গোল খাওয়ার পর তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে নামে বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের ছেলেরা। কিন্তু গোল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় তাঁরা। ফলে প্রথমার্ধের খেলা শেষে খেলার ফল ছিল মহামেডানের পক্ষে ১-০।

[OMG! রিয়াল মাদ্রিদে সই করছেন মেসি?]

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে গোলের বন্যা বয়ে যায়। দু’দল মিলিয়ে মোট ছ’টি গোল হয় এই অর্ধে। বিরতির পরই মহামেডান খেলোয়াড়রা আরও সংঘবদ্ধ আক্রমণ শুরু করেন। উলটোদিকে, পিয়ারলেসের রক্ষণভাগ যেন পুরোপুরি দাঁড়িয়ে যায়। ৫১ মিনিটে জিতেন মুর্মু দলের হয়ে ব্যবধান কমান। এই নিয়ে লিগে চতুর্থ গোলটি করে ফেললেন তিনি। এরপর শুধু ‘ডিপান্ডা ম্যাজিক’। ৫৮, ৬৯ এবং ৯০ মিনিটে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক করেন ডিকা। এই নিয়ে চলতি কলকাতা লিগে পাঁচটি গোল করে ফেললেন তিনি। এর মধ্যে ৮০ মিনিটে দীপেন্দু দুয়ারি গোল করে সাদা কালো ব্রিগেডের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে দেন। ম্যাচের শেষদিকে (৮৯ মিনিটে) পিয়ারলেসের ফ্রান্সিস গোল করে ব্যবধান কমালেও, অতিরিক্ত সময়ে ডিপান্ডার তৃতীয় গোলটি রহিম নবিদের লজ্জা যেন আরও বাড়িয়ে দেন। যদিও মনে করা হচ্ছে, পাঁচ গোলে জিতলেও রক্ষণ কিছুটা হলে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে মহামেডান কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের কপালে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.