প্রসূন বিশ্বাস: গুঞ্জন বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার সরকারি ঘোষণা হয়ে গেল। ইস্টবেঙ্গলে সই করলেন গোলরক্ষক দেবজিৎ মজুমদার। আগামী মরশুমে দস্তানা হাতে লাল-হলুদ শিবিরের গোলপোস্টের নিচে দাঁড়াবেন তিনি। দুবছরের চুক্তিতে দেবজিতকে সই করাল শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব।
গত মরশুমে প্রভসুখন গিল ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) বার আগলেছেন। দ্বিতীয় বিকল্প হিসাবে তাঁর জায়গায় গোলকিপিং করতে দেখা যায় কমলজিতকে। কিন্তু গিলের অনুপস্থিতিতে পাঞ্জাবের এফসির বিরুদ্ধে অসহায়ভাবে চার-চারটি গোল হজম করতে হয় তাঁকে। সেই ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের গোলিকিপিংয়ে রক্তাল্পতা চোখে পড়ে। গিলের পরে ভালো মানের কেউ নেই। সেকারণেই অভিজ্ঞ দেবজিতকে নিজেদের শিবিরে ভেড়াল লাল-হলুদ শিবির। ইস্টবেঙ্গলে দেবজিৎ (Debjit Majumder) ফেরায় লাল-হলুদের শক্তি যে বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য। দেবজিতের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগবে লাল-হলুদ শিবিরের।
[আরও পড়ুন: একটাই গোল, বার বার মাস্ক বদল! ইউরোয় এমবাপকে নিয়ে শোরগোল]
অতীতেও ইস্টবেঙ্গলে খেলেছেন দেবজিৎ। ট্রেভর জেমস মর্গ্যান জমানায় লাল-হলুদে ছিলেন তিনি। সেই মরশুমে বিশেষ সুযোগ পাননি বঙ্গতনয়। পরে ইস্টবেঙ্গল থেকে ভবানীপুর হয়ে দেবজিতের গন্তব্য ছিল মোহনবাগান। সঞ্জয় সেনের কোচিংয়ে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় সবুজ-মেরুন। দেবজিৎ হয়ে উঠেছিলেন সেভজিৎ। পরে আইএসএল (ISL) চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যও ছিলেন বঙ্গতনয়। পরে তিনি ফিরে আসেন ইস্টবেঙ্গলে। তখন রবি ফাওলারের কোচিংয়ে আইএসএল খেলছে লাল-হলুদ। পরের মরশুমে দেবজিতকে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি চলে যান চেন্নাইয়িন। সেখান থেকেই ফের ইস্টবেঙ্গলে ফিরতে চলেছেন বহু যুদ্ধের সৈনিক দেবজিৎ মজুমদার।
[আরও পড়ুন: ফ্রান্সের নির্বাচনে অতি দক্ষিণপন্থীদের জয়জয়কার, ইউরোর মাঝে আতঙ্কিত কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলাররা]
একদিন আগেই আর এক বঙ্গতনয় প্রভাত লাকরাকে সই করিয়েছে। প্রভাত ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের শক্তি বাড়াবেন। ২৬ বছর বয়সী এই বঙ্গতনয় আগে খেলেছেন নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে। গত মরশুমে তিনি খেলেছেন জামশেদপুর এফসিতে।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়