Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Diamond Harbour FC

লক্ষ্য বাংলার সম্মান বাঁচানো, ডুরান্ড ফাইনালে তিন প্রধানকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ডায়মন্ড হারবার

বাংলার সব ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের কাছেও মাঠে আসার আবেদন জানিয়েছে তারা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৩:৩৪

options
link
লক্ষ্য বাংলার সম্মান বাঁচানো, ডুরান্ড ফাইনালে তিন প্রধানকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ডায়মন্ড হারবার zoom
Advertisement

দুলাল দে: ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগান নেই। ইস্টবেঙ্গল নেই। মহামেডান নেই। ডায়মন্ড হারবার এফসি ম্যানেজমেন্ট বলছে, তাতে কী হয়েছে? বাংলার সম্মানের কথা ভেবে ফাইনালে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান সমর্থকদের সমর্থন চাইছেন তাঁরা। আবেদন করছেন, বাংলার সব ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের কাছে, শনিবার ফাইনালে সবাই যেন যুবভারতীতে এসে ডায়মন্ড হারবারকে সমর্থন করেন। সেই কারণেই, ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান, আইএফএ’র পদাধীকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। আর আইএফএ-সহ ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান কর্তারাও, মাত্র চার বছরের মধ্যে আই লিগের মূলপর্বে ওঠার সঙ্গে ডুরান্ডের ফাইনালে ডায়মন্ড হারবারের খেলাকেও বেশ কৃতিত্বেরই মনে করছেন।

ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের ধারণা হয়েছিল, তাহলে কি ডুরান্ড ফাইনালে ফাঁকা গ্যালারি থাকবে? কলকাতার তিন প্রধানের এক প্রধানও ফাইনালে নেই। তাহলে গ্যালারি ভরবে কী করে? সব সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে এদিন ডুরান্ড কর্তৃপক্ষর থেকে শুধু নিজেদের ক্লাবের জন্য ২৫ হাজার টিকিট তুলেছে ডায়মন্ড হারবার ক্লাব। এরপর রাজ্য ক্রীড়া দফতরের কাছেও টিকিট রয়েছে। তাই আশা করা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের জন্য মহামেডান স্পোর্টিংকে সরিয়ে যেভাবে ডায়মন্ড হারবার বাংলার ফুটবলের উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠছে, তাতে তাদের সমর্থনের জন্য শনিবারের যুবভারতীর গ্যালারিও ভর্তি থাকবে। ম্যাচের দিন হয়তো ডায়মন্ড হারবার থেকে কাতারে কাতারে মানুষ আসবেন বাস-লরিতে চেপে যুবভারতীতে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডায়মন্ড হারবারের ফাইনালে ওঠায় সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মহামেডান স্পোর্টিং নিয়ে। বাংলার ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করছেন, ধীরে ধীরে বাংলার তৃতীয় প্রধানের জায়গা নিয়ে নিচ্ছে ডায়মন্ড হারবার। সেই প্রসঙ্গে মহামেডানের কার্যকরী সভাপতি কামারউদ্দিন বলছিলেন, “বাংলার একটা ক্লাব ফাইনাল খেলবে, এর থেকে ভালো কিছু আর হতে পারে না। আসলে এখনকার দিনে আর্থিক সক্ষমতাটা খুব জরুরি। তবে শনিবার আমাদের সমর্থন থাকবে ডায়মন্ড হারবারের দিকে।” আর মহামেডান সচিব ইস্তিয়াক আহমেদ বলছিলেন, “বাংলার চার ক্লাবের মধ্যে তিন ক্লাব বিদায় নিয়েছে। রয়েছে শুধু ডায়মন্ড হারবার। আমাদের তিন প্রধানের সব সমর্থকেরই উচিত, শনিবার মাঠে গিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সমর্থনে গলা ফাটানো। আমরা তো সেদিন ডায়মন্ড হারবারকে সমর্থন জানাতে মাঠে যাবই। একটা নতুন দল ফাইনালে উঠেছে। বাংলায় ট্রফি রাখার জন্য সবার উচিত, শনিবার ফাইনালে ডায়মন্ড হারবারকে সমর্থন জানানো।”

ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেরা বিদায় নিলেও মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস বলছিলেন, “যেভাবে ডায়মন্ড হারবার উঠে আসছে, তার জন্য সাধুবাদ জানানো উচিত। অত্যন্ত পেশাদারিভাবে একটা ক্লাব চালাচ্ছেন সবাই। তার থেকেও বড় কথা, টানা চার বছর ধরে একমাত্র কোচ কিবুর উপরেই ভরসা রেখেছে ডায়মন্ড হারবার। সর্বোপরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ডায়মন্ড হারবারের পৃষ্ঠপোষকতা করে ক্লাবকে দ্রুত সাফল্যর রাস্তায় নিয়ে এসেছেন, তা প্রশংসাযোগ্য। চাইব, ডায়মন্ড হারবারের হাত ধরে ডুরান্ড কাপ বাংলায় থাকুক।”

ডায়মন্ড হারবারের সাফল্য নিয়ে মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত উচ্ছ্বসিত। তিনি বলছিলেন, “রাজনৈতিক পরিচয় ছেড়ে সবার উচিত, ডায়মন্ড হারবারকে সমর্থন জানানো। কলকাতা লিগের একটি প্রথম ডিভিশনের ক্লাব কিবু ভিকুনার মতো একজনকে কোচ করে নিয়ে এসেছে, এরকমটা ভাবাই যায় না। শুরু থেকে পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ক্লাব চালাচ্ছে। এমনকী যখন দলের সময় খারাপ গিয়েছে, তখনও কিন্তু কিবুকে সরিয়ে দেয়নি। এটাই দক্ষ প্রশাসকের কাজ। যেভাবে এরা চলছে, ডায়মন্ড হারবার অনেকদূর যাবে। আশা করব, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলার সম্মান রাখবে ডায়মন্ড হারবার।”

এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে কার্যকরী কমিটির মিটিংয়ে ডুরান্ড সেমিফাইনালের রেফারি হরিশ কুণ্ডুর তীব্র সমালোচনা করা হয়। ক্লাবের অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলছিলেন, “কীভাবে ম্যাচের আগের দিন রাত ন’টার সময় হরিশ কুণ্ডুকে রেফারি করে কলকাতায় উড়িয়ে নিয়ে আসা হয়েছে, সত্যিই বুঝতে পারছি না। তাছাড়া এই রেফারির নামে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ রয়েছে। আমার তো মনে হয়, বাংলারও অনেকে আমাদের বিরুদ্ধে সেদিন ম্যাচে চক্রান্তের বিষয়ে জড়িত ছিলেন। আমরা সেদিনকার রেফারি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

সেমিফাইনালের রেফরিং ভুলতে পারছেন না দেবব্রত সরকার। বললেন, “রেফারিং নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” তবে ফাইনালে ডায়মন্ড হারবারের ওঠা নিয়ে দেবব্রত সরকারের বক্তব্য, “আমি চাইছি, ডায়মন্ড হারবার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হোক। কারণ, এই মুহূর্তে বাংলার প্রতিনিধি ওরাই। বাংলায় ট্রফিটা রাখতেই হবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.