Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬

Durand Cup Final 2023: হাহাকার-কালোবাজারির মধ্যে দুই দলের সমর্থকদের স্লোগান, ‘ঘটি-বাঙাল ভাই-ভাই, টিকিট চাই-টিকিট চাই’

ডার্বির অপেক্ষায় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩, ১৫:৩৬

options
link
Durand Cup Final 2023: হাহাকার-কালোবাজারির মধ্যে দুই দলের সমর্থকদের স্লোগান, ‘ঘটি-বাঙাল ভাই-ভাই, টিকিট চাই-টিকিট চাই’ zoom
মেগা ডার্বির জন্য একেবারে তৈরি দুই প্রধানের অগনিত সমর্থক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান (IND vs PAK) ম্যাচের আবহেও ডার্বি নিয়ে উত্তাপ চড়ছে। এবং সেটাই তো স্বাভাবিক। ডুরান্ড কাপের (Durand Cup Final 2023) মঞ্চে প্রথম ডার্বিতে নাম লিখিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। এবার বদলা নেওয়ার পালা। মেগা ফাইনাল জিতে কি মোহনবাগান (Mohun Bagan) ট্রফি হাতে তুলতে পারবে? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এমন আবহে টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, টিকিটের জন্য মারামারি, উন্মাদনা স্বাভাবিক। অনেক ক্ষেত্রে তো দুই দলের সমর্থকরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে টিকিটের জন্য পাগলামি শুরু করে দিয়েছেন। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের গ্যালারি ভরানোর আগে দুই প্রধানের অগনিত সমর্থকের যেন একটাই স্লোগান। ‘ঘটি-বাঙাল ভাই-ভাই, টিকিট চাই-টিকিট চাই’।

কিন্তু শুক্রবার রাতেই ডুরান্ড কমিটির পক্ষ থেকে সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে জানিয়ে হাউসফুল ঘোষণা করে দেওয়া হয়। এরপরই শনিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ইডেন গার্ডেন্সের সামনের গোষ্ঠ পাল সরণি। ঠিক এই রাস্তার ওপরেই অবস্থিত মোহনবাগান ক্লাব এবং উল্টোদিকের লেসলি ক্লডিয়াস সরণি ধরে সোজা চলে গেলেই পড়ে ইস্টবেঙ্গল তাঁবু।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৩-০ স্কোরলাইনে ফাইনাল জিতবে কুয়াদ্রাতের ইস্টবেঙ্গল, দাবি ট্রেভর জেমস মর্গ্যানের]

এরপর শুক্রবার ভোররাত থেকেই দু’দলের সমর্থকরা ক্লাবের সামনে গিয়ে টিকিটের জন্য লাইন দিয়েছিলেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই লাইন বাড়তে বাড়তে দূর-দূরান্ত অবধি চলে যায়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই টিকিট পাননি বলে অভিযোগ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ইস্টবেঙ্গল বা মোহনবাগানের বহু সমর্থক টিকিট না পাওয়ায় শুরু হয় বিক্ষোভ। কমবেশি সবার মুখেই শোনা যায় এক কথা। যদি ক্লাব সমর্থকরা টিকিট না পেয়েই থাকেন, তাহলে এত টিকিট গেল কোথায়? ইতিমধ্যে একাধিক মহল থেকে বড় ম্যাচের টিকিট নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগ উঠছে।

একইসঙ্গে অভিযোগ উঠছে, গতবার ডুরান্ডের ডার্বির টিকিট নিয়ে সেভাবে সমস্যা না হলেও, এবার যেন এই টিকিট ভিতর থেকেই আটকে রাখা হয়েছে, যাতে কালোবাজারি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। ময়দানেই ১০০, ২০০ টাকার টিকিট ৫০০, ৬০০ কিংবা ১০০০ টাকায় বিকোচ্ছে। কলকাতা ময়দান তো বটেই, ভারতীয় ফুটবলেও এই দৃশ্য খুবই খারাপ বিজ্ঞাপন বলে মনে করছে ফুটবল মহল। সবমিলিয়ে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান-দুই দলের সমর্থকদেরই টিকিট নিয়ে হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। এবং দুই দলের সমর্থকদের মুখে যেন একটাই স্লোগান, ‘ঘটি-বাঙাল ভাই-ভাই, টিকিট চাই-টিকিট চাই’।

[আরও পড়ুন: রবিবারের যুবভারতীতে ফিরবে ১৯ বছর আগের ইতিহাস, আশা ইস্টবেঙ্গলকে জেতানো চন্দনের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.