সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা ময়দানের পরিচিত নাম। কলকাতার দুই প্রধানের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন। কোনওরকম বিভেদই মানেন না মেহেতাব হোসেন। ধর্মের বিভেদ তো নয়ই। তাঁর মতে, ‘সবার উপর মানব ধর্ম।’ সেই মতাদর্শে মান্যতা দিয়ে এবার বাড়িতেই দুর্গাপুজো(Durga Puja 2024) করছেন মেহেতাব হোসেন এবং তাঁর স্ত্রী মৌমিতা। আসলে মেহেতাবের স্ত্রী হিন্দু বাড়ির মেয়ে। তাঁর অনুরোধেই বাড়িতে পুজোর আয়োজন করছেন মেহেতাব।
আপাতত নিউটাউনে নিজের বাড়িতে থাকেন মেহেতাব। পাড়ার পুজোয় বরাবর মেতে ওঠেন। তবে বাড়িতে পুজো এই প্রথম। মেহেতাব জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী মৌমিতা তাঁকে প্রস্তাব দেন পুজো করার। স্ত্রীর এক কথায় রাজি হন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘মৌমিতা যখন আমাকে পুজোর কথা বললে আমি রাজি হয়ে যাই। পুজো তো সবার। আমি কোনও ধর্মের গণ্ডি, বিভেদ মানি না। আমার কাছে ধর্ম একটাই, মানবধর্ম।”
মেহেতাব জানিয়েছেন, ঈদেও তাঁর স্ত্রী শামিল হন উৎসবে। এবার তাঁরাও শামিল হবেন পুজোর আনন্দে। মল্লিকপুরের গ্রাম থেকে মেহেতাবের পরিবারের সদস্যরা আসছেন। স্ত্রী মৌমিতার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন। ময়দানের একসময়ের মিডফিল্ড জেনারেল বলছেন, “মৌমিতা আমাদের সঙ্গে উৎসবে সামিল হয়। মানুষ এখন চাঁদে চলে যাচ্ছে, আর আমরা কোথায় এখনও ধর্মের বিভেদ নিয়ে পড়ে রয়েছি।” মেহেতাবের কথায়, “ওর বহুদিনের ইচ্ছা ছিল দুর্গাপুজো করার। শ্যালক দেবাশিস রায়ের সঙ্গেও এই নিয়ে আলাপ আলোচনা করি। মূলত ওদের দুইজনের উদ্যোগেই এ বছর পুজোটা করা সম্ভব হচ্ছে।” মেহেতাবের স্ত্রী আবার পুজোর মাধ্যমে আর জি কর কাণ্ডের বিচার চাইছেন। তাঁর কথায়, “আমি নিজেও তো মেয়ে। মায়ের কাছে চাইব সুবিচার হোক।”
মেহেতাব জানিয়েছেন, যাবতীয় রীতি মেনেই তাঁর বাড়িতে পুজো করবেন স্ত্রী মৌমিতা। মেহেতাব শামিল হবেন বাঙালি সাজে। ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়িতে চলে এসেছে প্রতিমা। অষ্টমীর দিন ময়দানের বহু পরিচিত মুখকেও তাঁর বাড়ির পুজোতে দেখা যাবে।
সর্বশেষ খবর
-
বাড়ি দখলের মামলায় বাবার পক্ষে রায়, আদালত থেকে ফেরার পথে বৃদ্ধকে কুপিয়ে খুন ‘গুণধর’ ছেলের!
-
নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে বিজেপি সরকার, প্রাণভয়ে বন্দুক নিয়ে ঘুরছেন বিজেপি সাংসদ
-
ফাইনালে উঠবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, চ্যাম্পিয়ন কে? বিশ্বকাপে নামার আগে ভবিষ্যদ্বাণী মার্টিনেজের
-
উল্কার গতিতে উত্থান, বালি-কয়লা পাচার করে বিরাট সাম্রাজ্যের মালিক! অবশেষে জালে যুধিষ্ঠির
-
সল্টলেকের পর সৈকত শহর! সরল পুরনো দিঘায় ১ নম্বর বিশ্ববাংলা গেটের ‘ব’ লোগো