Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

যুবভারতীতে ফের ‘গো-ব্যাক খালিদ’ স্লোগান, ড্র করে হতাশ মোহনবাগান কোচও

তাহলে কি খালিদের বিদায় আসন্ন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৪:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৪:১৪

options
link
যুবভারতীতে ফের ‘গো-ব্যাক খালিদ’ স্লোগান, ড্র করে হতাশ মোহনবাগান কোচও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আই লিগের আরও একটা মরশুম শেষ। আর সেই সঙ্গে ট্রফিটা নিজেদের তাঁবুতে দেখার নতুন করে স্বপ্নভঙ্গ হল ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। এই নিয়ে ১৫ বছর। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে জোর মশকরা শুরু হয়ে গিয়েছে। লাল-হলুদ সমর্থকদের উদ্দেশে অনেকেই লিখছেন, আই লিগ জয়ের অনেক হিসেব-নিকেষ তো করেছিল দল। এবার একটা সহজ অঙ্ক কষে ফেলুন। ১৪ যোগ ১ ঠিক কত হয়। ততবারই আই লিগ শূন্য পদ্মাপারের ক্লাব। অনেকে আবার বলছেন, তুকতাক কাজে এল না এবার। নেটদুনিয়ার ছবিটা যখন এইরকম, তখন যুবভারতী উত্তপ্ত হল লাল-হলুদ ভক্তদের বিক্ষোভে।

[শামিকে ফের নিশানা স্ত্রীর, ব্লক করা হল হাসিনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট]

চ্যাম্পিয়ন যেই হোক, শেষ ম্যাচটা অন্তত জিতেই আই লিগ মরশুমটা শেষ করবে খালিদ জামিলের দল। কিন্তু ঘরের মাঠেও হতশ্রী ফুটবল খেলে একটা গোল শোধ করে নেরোকার বিরুদ্ধে কোনওরকমে মুখরক্ষা করেছে তারা। আর তাই কোচের উপর সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিলেন সমর্থকরা। এদিন ফের যুবভারতীর মূল গেটের সামনে গো-ব্যাক খালিদ স্লোগান ওঠে। সেই সঙ্গে এবার গো-ব্যাক অ্যালভিটো স্লোগানও উঠেছিল। অ্যালভিটো ডি’কুনহার বিরুদ্ধে মিনার্ভা ও চেন্নাই কোচকে টাকার টোপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন পাঞ্জাব দলের মালিক রঞ্জিত বাজাজ। ফেডারেশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। ফেডারেশনের ইন্টিগ্রিটি অফিসার জাভেদ সিরাজ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে ফুটবলারদের থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। তাই ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলার রিক্রুটার অ্যালভিটোও বিরাগভাজন হয়েছেন সমর্থকদের। ফলে ক্লাবে খালিদ ও অ্যালভিটোর ভবিষ্যত নিয়ে যে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়ে গেল, তা বলাই যায়।

Advertisement

[ইস্ট-মোহনের স্বপ্নভঙ্গ, প্রথমবার আই লিগ জিতে ইতিহাস মিনার্ভার]

এদিকে ইস্টবেঙ্গলকে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন না করতে পারার সব দায় নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন কোচ খালিদ। বলছেন, আক্রমণে জোর দিতে গিয়ে ডিফেন্সটাই নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অন্য কাউকে দোষ দিচ্ছি না। আমিই এর দায় স্বীকার করছি। স্ট্র্যাটেজির ভুলেই হেরেছি। আর যোগ্য দল হিসেবেই জয়ী মিনার্ভা। তাহলে কি বিদায় আসন্ন? নাকি নতুন করে শুরু হবে সুপার কাপের প্রস্তুতি? খালিদ বলছেন, শুক্রবার ক্লাবে গিয়ে কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সব সিদ্ধান্ত নেবেন। ইস্টবেঙ্গলের মতোই এদিন এগিয়ে গিয়েও গোকুলামের কাছে আটকে গেল মোহনবাগান। সঠিক সময় গোল করতে পারাই হারের কারণ বলে মনে করছেন কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী। সব মিলিয়ে পঞ্চকুলায় যখন খুশির বন্যা বইছে তখন লক্ষ্মীবারে হাত খালি ময়দানের দুই প্রধানের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.