২২ বছর পর ইস্টবেঙ্গলকে ভারতসেরা করেছেন। অস্কার ব্রুজোকে যোগ্য সম্মানের জায়গা দেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। যিনি এই মুহূর্তে ইন্দোনেশিয়ার একটি ক্লাবে কোচিং করাচ্ছেন। এর মধ্যেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ম্যানেজমেন্ট ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বিস্ফোরক স্প্যানিশ কোচ। এক ‘মাস্টার’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তিনি। এমনকী সেই ‘মাস্টার’ নাকি আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের শেষ ম্যাচের আগে বলে গিয়েছিলেন, রেফারি তাঁদের পক্ষে আছেন। যা নিয়ে তোলপাড় কলকাতা ময়দান।
এক্স হ্যান্ডলে ইস্টবেঙ্গলের পোস্টের দীর্ঘ কমেন্টের একটি অংশে তিনি লিখেছেন, ‘শেষ ম্যাচের আগে ‘মাস্টার’ কয়েকজন সদস্যকে বলেন, রেফারি আমাদের পক্ষে আছে। কিন্তু সেটা সত্যি নয়। যাঁরা ম্যাচটা দেখেছেন, তাঁরা জানেন রেফারি নিরপেক্ষভাবে ম্যাচ খেলিয়েছেন। ভিতরে ভুল তথ্য প্রচারের জন্য এই কাজটা করেছিলেন।’ কে এই ‘মাস্টার’? অস্কার কারও নাম নেননি। তবে অনেকে মনে করছেন, ‘মাস্টার’ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কোনও শীর্ষস্থানীয় কর্তা হতে পারেন।
আরও পড়ুন:
গত মরশুমের শুরুতে গোলকিপার কোচ সন্দীপ নন্দীকে আচমকা বাদ দেন অস্কার। তখন তাঁর অভিযোগ ছিল, দলের ভিতরের খবর ফাঁস হচ্ছে। এবারও সেই কথাই বলেছিলেন তিনি। অন্য একটি কমেন্টে বলেছেন, ‘মোহনবাগান পাশের মাঠে অনুশীলন করলেও তাদের এরকম প্রচারের শিকার হতে হয়নি। কিন্তু আমাদের সব কৌশল বারবার ফাঁস হয়ে যাচ্ছিল।’ তাঁর আরও বক্তব্য, আগের ইনভেস্টর ইমামি গ্রুপ বুঝতে পেরেছিল, প্লেয়ার কেনাবেচায় প্রচুর টাকা অপচয় হত। তারা পেশাদারিত্ব দেখাতেই ‘মাস্টার’-এর লবি ও নেটওয়ার্ক সমস্যায় পড়ে। তিনি আরও লেখেন, সাফল্য পাওয়া ‘মাস্টার’-এর উদ্দেশ্যই ছিল না। এছাড়া তাঁকে ‘গো ব্যাক ধ্বনি, ড্রেসিংরুমে ঢুকে সমালোচনা করা ইত্যাদি বিষয়ের জন্য ‘মাস্টার’কে দায়ী করেছেন লাল-হলুদের প্রাক্তন কোচ।
এক্স হ্যান্ডলে ইস্টবেঙ্গলের পোস্টের দীর্ঘ কমেন্টের একটি অংশে তিনি লিখেছেন, ‘শেষ ম্যাচের আগে ‘মাস্টার’ কয়েকজন সদস্যকে বলেন, রেফারি আমাদের পক্ষে আছে। কিন্তু সেটা সত্যি নয়। যাঁরা ম্যাচটা দেখেছেন, তাঁরা জানেন রেফারি নিরপেক্ষভাবে ম্যাচ খেলিয়েছেন। ভিতরে ভুল তথ্য প্রচারের জন্য এই কাজটা করেছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত সোশাল মিডিয়ায় একটি ইস্টবেঙ্গল ফ্যান পেজকে নিয়ে। আচমকাই তারা অস্কারের সমালোচনা শুরু করে। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন অস্কার। কমেন্টে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে তীব্র অভিযোগ জানান। পরে যোগাযোগ করা হলে অস্কার ব্রুজো জানান, তাঁর কাছে প্রমাণ আছে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্য থেকেই কেউ এই টুইটার পেজটির পিছনে আছেন। তাই তাঁর সম্পর্কে যা বলা হচ্ছে, পিছনে ক্লাবের কিছু মানুষের সমর্থন রয়েছে। তিনি এই বিষয়ে ক্লাবের সঙ্গে কথাও বলেন।
The “Master’s” Agenda
●Success was never in his interest. For the first time, the “Master” had no meaningful involvement in building the squad. A successful season would therefore have demonstrated that the Club could operate effectively without his influence over recruitment…
— Oscar Bruzon (@obruzon) September 11, 2026
বিতর্ক বাড়তে শুরু করলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, অস্কার ব্রুজোকে তাঁর অবদানের জন্য শ্রদ্ধা জানিয়েও বলা হয়, তাঁর এই মুহূর্তে ক্লাব, কর্মকর্তা এবং ম্যানেজমেন্টের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে কোনও মন্তব্য করার অধিকার বা এক্তিয়ার নেই। ফলে কোনও বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করে সোশাল মিডিয়াতে পোস্ট কোনওভাবেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত হবে না। কিন্তু ঘটনা থামেনি। এরপর বিভিন্ন জায়গায় তিনি ক্ষোভ উগরে দেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বারবার চোটের কবলে ক্রিকেটাররা, দায় একজনেরই! আফগান সিরিজের আগে কড়া সিদ্ধান্তের পথে বোর্ড
-
‘মির্জাপুর’ ছবিতে মহারানা প্রতাপের অবমাননা! সেন্সরকে গান ছাঁটার আর্জি বিজেপি নেতার
-
মোদি-পুতিন-জিনপিংদের সঙ্গে নৈশভোজে শুভেন্দু! ব্রিকস সম্মেলনে দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
-
ডোভাল চালেই কাটল জট, ৭ বছর পর দিল্লিতে জিনপিং, আম-ছালা দুই হারালেন তারেক!
-
খালি করতেই হবে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস! দমকলের নোটিসে কোনও হস্তক্ষেপই করল না হাই কোর্ট