Advertisement
Advertisement
Cape Verde

বিশ্বকাপের সেরা গোল! মেসিদের ভয় ধরিয়ে গ্যালারিতে কার উষ্ণ আদরে কেপ ভার্দের তারকা?

কোভিডের ধাক্কায় শেষ হতে বসেছিল কেরিয়ার! সেখান থেকে বিশ্বকাপে স্বপ্নের গোল সিডনি লোপেজ কাব্রালের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৯:০৪

options
link
বিশ্বকাপের সেরা গোল! মেসিদের ভয় ধরিয়ে গ্যালারিতে কার উষ্ণ আদরে কেপ ভার্দের তারকা? zoom
গোলের পর গ্যালারিতে কাব্রাল।
Advertisement

বছর পাঁচেক আগেও তিনি খেলতেন জার্মানির চতুর্থ ডিভিশনে। কোভিডের ধাক্কায় ফুটবল কেরিয়ার প্রায় শেষের মুখে। বাধ্য হয়ে মাথা গোঁজার মতো একটা ক্লাব খুঁজে নিয়েছিলেন জার্মানিতে। সেখান থেকে শুরু করে আজ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে গোল সিডনি লোপেজ কাব্রালের। এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেরা গোল বললে ভুল হয় না। তারপরই কেপ ভার্দের তারকা দৌড় দিলেন গ্যালারিতে। সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন এক নারী। তাঁকে উষ্ণ আলিঙ্গনে বাঁধলেন কাব্রাল। কে এই নারী?

তিনি কাব্রালের প্রেমিকা। ম্যাচের বয়স তখন ১০৩ মিনিট। মায়ামি স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে পিছিয়ে কেপ ভার্দে। নির্ধারিত সময়ে লিওনেল মেসিদের আটকে দিয়েও ফের পিছিয়ে পড়েছে। সেই সময় জ্বলে উঠলেন কাব্রাল। ডানদিকের বক্সের মাথা থেকে যে কার্লারটা তিনি মারলেন, তা এমি মার্টিনেজ কেন, ন্যয়ার-কাসিয়াস-বুঁফোরাও বাঁচাতে পারতেন না। গোল করেই সোজা গ্যালারিতে উঠে পড়লেন কাব্রাল। খুঁজলেন প্রিয় মানুষকে। অনেকক্ষণ কেটে গেল৷ তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ধারাভাষ্যকার তো বলেই ফেললেন, “যতক্ষণ না প্রেমিকার সঙ্গে দেখা হচ্ছে, ততক্ষণ কাব্রাল বোধহয় মাঠে ফিরবে না।”

Advertisement

অবশেষে দেখা দিলেন ২৩ বছর বয়সি তারকার প্রেমিকা। উষ্ণ আদরে একে-অপরকে বেঁধে রাখলেন খানিকক্ষণ। যদিও কাব্রালের প্রেমিকার পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁদের সম্পর্ক বেশ পুরনো। এই সাক্ষাতের জন্য কার্ডও দেখাতে পারতেন রেফারি। নিয়মমতো ম্যাচের মাঝে ফুটবলাররা গ্যালারির ভিতর ঢুকতে পারেন না। তবে প্রেমকাহিনি দেখেই বোধহয় রেফারি ছাড় দেন। এত কিছুর পরও কেপ ভার্দেকে হারতে হয়েছে। ১১০ মিনিটের ডিনের আত্মঘাতী গোলে ২-৩ গোলে।

তাতে কাব্রালের কৃতিত্ব কমে না। দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার ফুলব্যাক ও সাইডব্যাক দু’জায়গাতেই খেলতে পারেন। প্রচণ্ড গতিশীল। ২০০২ সালে নেদারল্যান্ডসের রটারডামে জন্ম। তাঁর মা-বাবা ছিলেন কেপ ভার্দের বাসিন্দা। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে কেরিয়ার শুরুর মুখেই কোভিডের ধাক্কা। বাধ্য হয়েই জার্মানির চতুর্থ ডিভিশনের এক ক্লাবে সই করেন। সেখান থেকে পর্তুগালের বেনফিকায় সই। এখন খেলেন তুরস্কের ত্রাবজোন্সপোরে। ২০২৩ সাল থেকে কেপ ভার্দের জার্সিতে নিয়মিত। এবার তাঁর নাম নিশ্চয়ই আর কেউ ভুলবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.