Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

মার্কিন তারকার লাল কার্ড প্রত্যাহারে ফিফাকে ফোনের কথা স্বীকার ট্রাম্পের, ঠিক কী বলেছিলেন?

ফিফার কাণ্ডকারখানায় জুর্গেন ক্লপের তোপ, "যাঁরা ফুটবলের কিছুই জানেন না, তাঁদের হাতেই সব।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৩:২৭

options
link
মার্কিন তারকার লাল কার্ড প্রত্যাহারে ফিফাকে ফোনের কথা স্বীকার ট্রাম্পের, ঠিক কী বলেছিলেন? zoom
ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো। ফাইল ছবি
Advertisement

সত্যিই ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্টকে। নিজে মুখে সেটা স্বীকারও করে নিলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। যত গন্ডগোল, বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহার করা নিয়ে। জল্পনা ছড়ায়, ট্রাম্প নাকি ফিফা প্রেসিডেন্টকে সেই কার্ড প্রত্যাহার করতে বলেছিলেন। সেটাই হয়েছে। আর ট্রাম্প সেটা স্বীকারও করে নিলেন।

গোটা ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হয়। এখন ট্রাম্প বলছেন, “আমি তো শুধু একবার বিষয়টা ভেবে দেখতে বলেছিলেন। কিন্তু আমি কখনই বলিনি, লাল কার্ড প্রত্যাহার করতেই হবে। কী করতে হবে, সেটা বলা আমার কাজও নয়। তবে বলব, ওরা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। আমি মনে করি, ওটা ফাউল ছিল না।” তাহলে তিনি নিজে মুখেই স্বীকার করলেন, ‘অন্যায় আবদার’ করেছিলেন। সেটা ফিফা কেন মেনে নিল, সেটাই প্রশ্ন। তাহলে কি ট্রাম্পের অঙ্গুলি হেলনে চলছে ফিফা? এমনকী লাল কার্ড প্রত্যাহারের পর ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘ধন্যবাদ ফিফা। যেটা সঠিক সেটাই করেছে। একটা অন্যায় সিদ্ধান্ত পালটানো হয়েছে।’

Advertisement

ঘটনার কেন্দ্রে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান। বসনিয়া এবং হারজেগোভিনার বিরুদ্ধে শেষ বত্রিশের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সাসপেন্ড থাকতেন বালোগান। কিন্তু তাঁর শাস্তি তুলে নেয় ফিফা। শুধু এই বিশ্বকাপই নয়, আগামী এক বছরের মধ্যে কার্যকর হবে না সেই শাস্তি। বালোগানের শাস্তি তুলতে আইনের এমন একটা ধারা আমদানি করা হয়, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে সম্ভবত ওয়াকিবহালই ছিলেন না কোনও অতি বড় ফুটবল ভক্তও। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে ব্যবহার তো পরের কথা।

ঘটনাটা একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি ফুটবল দুনিয়া। ফিফার এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ফেটে পড়েছেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। রীতিমতো ব্যঙ্গ করে তিনি বলেন, “হ্যারি কেনের কি এবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ফোন করা উচিত? হতেও পারে!” অন্যদিকে ফিফার সিদ্ধান্তে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ‘স্তম্ভিত’। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে তারা। বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়াও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, “আমি জানতামই না, ফিফার কাছে ৫ জুলাই মানেই ১ এপ্রিল (এপ্রিল ফুল)!” জার্মানির নতুন কোচ জুর্গেন ক্লপও বলেছেন, “যদি ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো সহমত হন, তাহলে সেটা খারাপ। যাঁরা ফুটবলের কিছুই জানেন না, তাঁদের হাতেই সব। আমরা ভুল সিদ্ধান্তে ভুগি, সেখান থেকে শিখি। সেসব সত্ত্বেও এটা আমাদের খেলা, ওদের নয়।” পরের ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.