Advertisement
Advertisement
Erling Haaland

তাঁর জোড়া গোলে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল, এবার চর্চায় হালান্ডের জোড়া নাম লেখা জার্সিও

হালান্ড ম্যাজিকে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে একাই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন নরওয়ের ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির এই 'ভাইকিং' স্ট্রাইকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৩:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৩:২৩

options
link
তাঁর জোড়া গোলে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল, এবার চর্চায় হালান্ডের জোড়া নাম লেখা জার্সিও zoom
চর্চায় হালান্ডের জার্সি। ছবি সংগৃহীত।

হালান্ড ম্যাজিকে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে একাই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন নরওয়ের ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির এই ‘ভাইকিং’ স্ট্রাইকার। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। এমন সাফল্যের আলোয় নজরে এসেছে তাঁর জোড়া নাম লেখা জার্সিও। 

‘জোগো বোনিতো’র সৌন্দর্য হার মানল হালান্ডের ‘নিষ্ঠুর’ ফুটবলে। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য থাকা ম্যাচ শেষ ১১ মিনিটে নিজের দখলে নিয়ে নেন তিনি। যে ক’টি সুযোগ পেয়েছেন, তার দু’টিকে গোলে পরিণত করেছেন। ব্রাজিলের রক্ষণ তাঁকে আটকাতে পারেনি। ম্যাচ শেষে গোল করার সহজাত ক্ষমতা নিয়ে হালান্ড বলেন, “এক-দু’টো সুযোগ পেলেই গোল করে ফেলি। কীভাবে করি, সেটা আমিও জানি না। তবে হয়ে যায়।” প্রথম গোল আসে দুর্দান্ত এক হেড থেকে। দুই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে লাফিয়ে উঠে বল জালে পাঠাতে কোনও সমস্যাই হয়নি। ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির উচ্চতা সেখানে বাড়তি সুবিধা এনে দেয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
‘ভাইকিং রো’ হালান্ডের। ছবি সংগৃহীত।

দ্বিতীয় গোলটি ছিল আরও দর্শনীয়। সামনে তিন ডিফেন্ডার, পিছনে গোলরক্ষক। তবু বাঁ পায়ের নিচু শটে সবাইকে পরাস্ত করে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোলের পর বাড়তি উচ্ছ্বাসও দেখাননি। যেন এমন গোল করা তাঁর কাছে নিত্যদিনের ঘটনা। ম্যাচ শেষে অবশ্য সতীর্থ ও সমর্থকদের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং রো’ সেলিব্রেশনে শামিল হন তিনি। এই বিশ্বকাপ হালান্ডের কাছে বিশেষ। ২৮ বছর পর নরওয়ে আবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, ইতিহাসে প্রথমবার নকআউট পর্বে উঠেই ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল তারা।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে হালান্ড। আট ম্যাচে করেছিলেন ১৬ গোল। সেই ফর্মই ধরে রেখেছেন মূল পর্বেও। বিশ্বকাপ শুরুর আগে হালান্ড বলেছিলেন, “অনেক বছর ধরে এই সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। এবার যখন সুযোগ পেয়েছি, সেটাকে কাজে লাগাতেই হবে।” সেই অভিযানে তাঁর অন্যতম সঙ্গী অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। দু’জনের নেতৃত্বেই স্বপ্নের দৌড়ে এগিয়ে চলেছে নরওয়ে।

এই জার্সি নিয়েই চর্চা। ছবি সংগৃহীত।

বিশ্বকাপে নামার আগেই ক্লাব ফুটবলে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন হালান্ড। পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যাঞ্চেস্টার সিটির হয়ে ২০২৩ সালে প্রিমিয়ার লিগে এক মরশুমে ৩৬ গোল করে গড়েছিলেন নতুন রেকর্ড। একই মরশুমে জিতেছিলেন প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এবার বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নরওয়ের স্বপ্নের নায়ক হয়ে উঠেছেন তিনি।

তবে এবারের বিশ্বকাপে তাঁর জার্সিতেও রয়েছে বিশেষ চমক। শুধু ‘হালান্ড’ নয়, জার্সির পেছনে লেখা ‘ব্রাউট হালান্ড’। ‘ব্রাউট’ এসেছে তাঁর মা গ্রি মারিতা ব্রাউটের পদবি থেকে, আর ‘হালান্ড’ বাবার পদবি। নরওয়ের সংস্কৃতিতে মা ও বাবার দুই পরিবারের পরিচয় একসঙ্গে বহন করার এই রীতি বেশ পরিচিত। জীবনের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মা-বাবার পরিচয় সঙ্গে নিয়ে খেলতে নেমেছেন হালান্ড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.