ম্যাচ শুরুর আগে ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল বলে দিয়েছিলেন, “দু’দেশের ইতিহাস যা-ই হোক, এই ম্যাচটা আমরা খেলব আর পাঁচটা সাধারণ ম্যাচের মতোই।” বস্তুতই ইংল্যান্ডের জন্য এই ম্যাচ ছিল আর পাঁচটা সাধারণ ম্যাচের মতো। সেমিফাইনাল বলে বাড়তি গুরুত্ব নিশ্চয়ই ছিল। কিন্তু আর্জেন্টিনার জন্য এ যেন জীবনমৃত্যুর লড়াই। ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি-হাজার হাজার সৈন্যের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ইতিহাস সঙ্গে নিয়ে নেমেছিলেন মেসিরা। তাই তো ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করে গেলেন, এই ম্যাচে হারলে সেই ব্যর্থতা তিনি হজম করতে পারতেন না। স্মরণ করে গেলেন নিজের দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা আইকন দিয়েগো মারাদোনাকে। ম্যাচ শেষে মেসি বলে গেলেন, “আমি নিশ্চিত দিয়েগো উপরে বসে এই জয় উপভোগ করছে।”
১৯৮৬ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের চার বছর পর যুদ্ধের চার বছর পর ‘ফুটবল রাজপুত্র’ দিয়াগো ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কুখ্যাত সেই ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলটি করেন। আবার দ্বিতীয় গোলটি করেন ৬ জনকে কাটিয়ে। যাকে বলা হয়, শতাব্দীর সেরা গোল। সাড়ে চার দশক বাদে নিজে জোড়া গোল করিয়ে মেসি স্মরণ করলেন সেই নায়ককে।
আরও পড়ুন:

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তারপর ৭ মিনিটের ম্যাজিক। জোড়া গোল এল মেসির দুই সতীর্থর কাছ থেকে। আর দু’টি গোলই করালেন বাঁ-পায়ের ম্যাজিসিয়ান। অবশ্য বাঁ পায়ের এই ম্যাজিক ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগেও দেখেছেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। সেটা ১৯৮৬ সালে। সেই বাঁ-পায়ের নায়ক ছিলেন দিয়েগো মারাদোনা। ১৯৮৬ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের চার বছর পর যুদ্ধের চার বছর পর ‘ফুটবল রাজপুত্র’ দিয়াগো ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কুখ্যাত সেই ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলটি করেন। আবার দ্বিতীয় গোলটি করেন ৬ জনকে কাটিয়ে। যাকে বলা হয়, শতাব্দীর সেরা গোল। সাড়ে চার দশক বাদে নিজে জোড়া গোল করিয়ে মেসি স্মরণ করলেন সেই নায়ককে। লিও বলে গেলেন, “আমি নিশ্চিত, দিয়েগো উপরে বসে হাসছেন। এই দিনটা ওর কাছেও বিশেষ দিন হয়ে রইল। মারাদোনাকে আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি।”
মেসি মেনে নিয়েছেন এই ম্যাচটা আর পাঁচটা সাধারণ ম্যাচের মতো নয়। হারলে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মেনে নিতে পারতেন না। লিও বললেন,”এটা বিশ্বকাপের আরও একটা ম্যাচ হলেও বাকি ম্যাচের থেকে আলাদা। সমর্থকেরা এই জয়টা চেয়েছিল। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার মতো আনন্দ আর হতে পারে না।” মেসি সাফ বলছেন, “আর্জেন্টিনার কেউ এই ম্যাচটা হারতে চায়নি। হারলে হয়তো অনেকে অনেক কথা বলত। আমরা সেটা বলার সুযোগই দিলাম না।”
বস্তুত শুধু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নয়, গোটা বিশ্বকাপেই মেসি অনবদ্য। অবিশ্বাস্য ভালো পারফর্ম করছেন। মেসির কাছেই যে ইংল্যান্ডকে হারতে হয়েছে সেটা মেনে নিয়েছেন ইংরেজ অধিনায়ক হ্যারি কেনও। তিনি বলছেন, “আমরা গোলটা করার পর নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিলাম। সেটা যে কারণেই হোক। আসলে তুমি বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলারকে এভাবে বল দিয়ে জায়গা দিতে পার না। একারণেই ও সর্বকালের অন্যতম সেরা।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রথের কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, নিম্নচাপ-মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায় বিদ্ধ বঙ্গ!
-
গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গোপন বৈঠকে শাহ-নীতীন নবীন, বড় কোনও সিদ্ধান্তের পথে সরকার?
-
সোনম ওয়াংচুকের পাশে দাঁড়িয়ে মোদিকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক’ তোপ দীপিকার! ভাইরাল পোস্টে বিতর্ক
-
‘ভালো নেই’, অনশন মঞ্চ থেকে বার্তা সোনমের, দেখা করবেন কেজরি, কী জানালেন ‘র্যাঞ্চো’র স্ত্রী?
-
বঙ্গ পর্যটনে জুড়ছে পুরুলিয়ার সবুজ সেঁওয়াতি পাহাড়! জঙ্গল ঘেরা এই জনপদে জানেন কী আছে?
